কুড়িগ্রামে একটি সড়ক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলায় আওয়ামী লীগের এক নেতা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে শহরের খলিলগঞ্জ এলাকার অভিনন্দন কনভেনশন সেন্টারের সামনে একটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার জেরে সন্ধ্যা সাতটার দিকে আওয়ামী লীগ নেতাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে অভিযোগ পেয়ে পুলিশ দুই জনকে গ্রেপ্তার করে।
নিহত আওয়ামী লীগ নেতার নাম শরিফুল ইসলাম সোহান। তিনি ঘোষপাড়া হাটিরপাড় এলাকার মৃত আমজাদ হোসেন বুলুর পুত্র। পরিবহন ব্যবসায়ী সোহান কুড়িগ্রাম পৌর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন।
গ্রেপ্তার দুই জন হলেন- সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজভী ও কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের সভাপতি ঝিনুক।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, অভিনন্দন কনভেনশন সেন্টারের সামনে একটি প্রাইভেট জিপাগাড়ি দাঁড়িয়েছিল। এসময় সদর উপজেলা ছাত্রলীগের দুই নেতা সিয়াম ও রিয়াদের দ্রুতগামী একটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জিপের পাশে পড়ে যায় এবং দুই জনে আহত হয়। পরে জিপে থাকা শরিফুল ইসলাম সোহানসহ অপর দুইজন তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
এ খবর পেয়ে সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও তার সহযোগীরা ঘটনাস্থলে এসে জিপে থাকা শরিফুল ইসলাম সোহানকে মারপিট করে। এ সময় শরিফুল গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ওই জিপে করে ছাত্রলীগ নেতারা হাসপাতালে নেন। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কুড়িগ্রাম সার্কেল একে এম ওহিদুন্নবী সাংবাদিকদের জানান, নিহত সোহানের স্ত্রী বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। মামলায় অভিযুক্ত রেজভী ও ঝিনুককে গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
যুবককে প্রকাশ্যে হত্যার পর বাড়ি সামনে ফেলে গেলো দুর্বৃত্তরা