মানুষের ভালোবাসায় রক্ষা পেলো একটি হনুমান। তবে বাঁচানো যায়নি তার গর্ভের সন্তানকে। আহত হনুমানকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেনারি টিচিং হাসপাতালে। সুস্থ রাখতে তার শরীরে বেশ কয়েকটি অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে।
গত ৪ সেপ্টেম্বর খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে এসে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে গুরুতর আহত হয় বন্যপ্রাণী আইনে সংরক্ষিত এ প্রজাতির সদস্যটি। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয় সিলেট বিমানবন্দর এলাকার কাকুয়ার পার গ্রামের মানুষজন।
কিন্তু পরে গাছ থেকে পড়ে গিয়ে গর্ভের সন্তান হারায় হনুমানটি। এরপরই উদ্ধারকারীরা পরিবেশকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। পরে হনুমানটিকে আনা হয় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেনারি টিচিং হাসপাতালে।
একটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হওয়া ছাড়াও হনুমানের পায়ে ও পেটে তৈরি হয়েছে গভীর ক্ষত।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হাসপাতালে হনুমানটির শরীরে অস্ত্রোপচার ছাড়াও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মাসুদ পারভজ বলেন, হনুমানটি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে খুবই দুর্বল অবস্থায় ছিলো। সে বাঁচবে কিনা এমন আশঙ্কাও ছিলো। সে গর্ভবতী ছিলো, তার গর্ভপাত হয়ে গেছে।
হনুমানকে বাঁচানোর এমন ঘটনাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন পরিবেশকর্মীরা। তারা বলছেন, বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা বেড়েছে।
পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠলে এই প্রজাতির হনুমানের আবাসস্থলে ছেড়ে দেয়া হবে বিপন্ন প্রজাতির মুখপোড়া হনুমানটিকে।
বাঁশ বেতের তৈরি পণ্য রপ্তানি করে স্বাবলম্বী বিনয় ভূষণ বেপারী