পাহাড়ি ঢলে উজান থেকে আসা পানির প্রবল স্রোত ও ভারী বর্ষণের পর বন্যা কবলিত সিলেট অঞ্চলে কিছুটা সুখবর মিলেছে। নতুন করে বৃষ্টি হয়নি, আকাশ থেকে মেঘ সরে দেখা মিলেছে রোদের।
ধীরগতিতে নামছে সিলেটের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি। তবে তা এখনো বিপদসীমার ওপরেই রয়েছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে জানানো হয়েছে।
কুশিয়ারার সিলেটের চার পয়েন্টে ও সুরমা নদীর দুই পয়েন্টে এখনো বিপদসীমার উপরে বইছে নদীর পানি।
ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার ১০৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছে। আর কুশিয়ারা নদীর আমল সিদ পয়েন্টে বিপদসীমার ৪১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
কুশিয়ারা নদীর শ্যাওলা পয়েন্টে ০৩ সেন্টিমিটার এবং শেরপুর পয়েন্টে এখনো বিপদসীমার ১৯ সেন্টিমিটার উপরে।
এছাড়া সুরমা নদীর পানি নামতে শুরু করলেও এখনো দুটি পয়েন্টের বিপদসীমার উপরে রয়েছে নদীর পানি। এরমধ্যে কানাইঘাট পয়েন্টে ৫৫ সেন্টিমিটার এবং সিলেট পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার উপরে রয়েছে সুরমার পানি।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ভারতের উজানে বৃষ্টি কমেছে। সিলেটেও বৃহস্পতিবার থেকে কম বৃষ্টিপাত হচ্ছে। যদি আরো দুইদিন বৃষ্টি না হয়, তাহলে পানি দ্রুত নেমে যাবে গিয়ে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আশা করা হচ্ছে।
শুধু সিলেট শহরেই বন্যা আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৫৫ হাজার। এদের মধ্যে ২০টি আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন প্রায় তিন হাজার মানুষ। দ্বিতীয় দফার বন্যায় আক্রান্ত হয়েছেন সিলেট, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জসহ কয়েক জেলার প্রায় ২০ লাখ মানুষ।
সিলেট মহানগরেই ত্রাণের জন্য হাহাকার