করোনা টিকার দুই ডোজ নিশ্চিত করেই দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রনালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন।
জুনে চীন থেকে টিকা এলে জুলাই বা আগষ্ট মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের দুই ডোজ টিকা দেয়ার কার্যক্রম শেষ করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এরপরই বিশ্ববিদ্যালয় খোলার কথা ভাবছে কর্তৃপক্ষ। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের লাখো শিক্ষার্থীকে টিকা আওতায় আনার বিষয়ে কোন আলোচনা নেই।
হল খুলে দিয়ে স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার দাবিতে মঙ্গলবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে শিক্ষার্থীদের একটি অংশ।
একদিন আগেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, জুনেই আসছে চীনের টিকা। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুরুতেই এই টিকা পাবেন মেডিকেল, পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয় খোলার প্রক্রিয়া নিয়ে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের সাথে অনলাইন বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও মঞ্চরী কমিশনের কর্মকর্তারা।
সেখানে দুই ডোজ টিকা নেয়ার পরই বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মঞ্জুরী কমিশন বলছে প্রথম দফায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ লাখ ৩০ হাজার আবাসিক শিক্ষার্থীরা টিকা পাবেন।
এরপরই পাবেন অনাবাসিক আর প্রাইভেটের শিক্ষার্থীরা। দুই ডোজ টিকা শেষ করতে সময় লাগবে জুলাই বা আগষ্ট। এরপরই খুলবে সব বিশ্ববিদ্যালয়।
তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সোয়া দুই হাজার কলেজের লাখো শিক্ষার্থীর টিকা নিয়ে স্পষ্ট কোন সিদ্ধান্ত নেই। নতুন উপাচার্য মশিউর রহমান বলছেন, অনলাইন ক্লাস আর স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেওয়াতেই তারা গুরুত্ব দিচ্ছেন।
তাহলে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের টিকার দায়িত্ব কারা নিচ্ছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বলছে এ দায়িত্ব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের।
