কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ছাত্রী ফুলপরী খাতুনকে নির্যাতনের ঘটনার সত্যতা পেয়েছে হল কর্তৃপক্ষ কতৃক তদন্ত কমিটি। ফলে অভিযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি সানজিদা চৌধুরীসহ পাঁচ জনের হলের সিট বাতিল করে তাদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১ মার্চের মধ্যে তাদের হল ছাড়তে হবে।
সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশরত্ন শেখ হাসিনা হল প্রশাসনের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. শামসুল আলম।
তিনি বলেন, আগামী ১ মার্চ দুপুর ১২টার মধ্যে তাদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের হল সংযুক্তি বাতিলের সুপারিশ হল কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রেরণ করা হবে।
ছাত্রলীগের সহসভাপতি ও পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী সানজিদা চৌধুরী অন্তরাসহ বাকি চারজন হলেন, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের তাবাসসুম ইসলাম ও মাবিয়া জাহান, আইন বিভাগের ইসরাত জাহান মীম ও চারুকলা বিভাগের হালিমা খাতুন উর্মী।
আরও পড়ুন: আমি খুব খুশি উনি আমার বাড়িতে আসছেন: রাষ্ট্রপতি
এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দেশরত্ন শেখ হাসিনা হলের গণরুমে সাড়ে চার ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ করেন ফাইন্যান্স বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ফুলপরী খাতুন। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি সানজিদা চৌধুরীর নেতৃত্বে তার অনুসারীরা হলে আটকে রেখে নির্মম নির্যাতন করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পরে ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, হল প্রভোস্ট ও ছাত্র উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেন।
হল প্রশাসন সেদিনই তদন্ত কমিটি গঠন করে। চার সদস্যের গতকাল রোববার প্রতিবেদন জমা দেয়। ওই প্রতিবেদন আজ হাইকোর্টে জমা দেওয়া হয়েছে।
একাত্তর/আরবিএস
