হল রাজনীতি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুখোমুখি অবস্থানে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্র সংগঠনগুলো। সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলছেন হল রাজনীতির মাধ্যমে আবারো বৈষম্যের শিকার হবেন তারা, অনিয়ম বাড়বে হলগুলোতে।
অন্যদিকে রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনগুলো বলছে, অপরাজনীতির শিকার হচ্ছেন তারা। হলরাজনীতির হালচাল তদারকির আহবান তাদের।
শুক্রবার (৮ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি দলে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করায় ক্ষোভে ফেটে পরে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। রাতেই হলগুলো থেকে বের হয়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামেন। দাবির মুখে হলগুলোতে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ রাখার কথা জানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এ ঘটনার পর সকাল থেকে শান্ত বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে সকল প্রকাশ ক্লাস-পরীক্ষা।
রাতের দাবিতে অনড় শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন, হল রাজনীতির বলি হতে হয় সাধারণ শিক্ষার্থীদের। সিট বাণিজ্য, গেস্টরুম কালচারসহ নানান অনিয়ম শুরু হয় হলগুলোতে।
অন্যদিকে রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনগুলো বলছে, হল রাজনীতি পুরোপুরি বন্ধ না করে তাদের কার্যক্রম তদারকির মধ্যে রাখলেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের সংকট দূর হবে। অন্যদিকে হলরাজনীতি বন্ধের দাবিটিকে ইতিবাচক রাজনীতির মাধ্যমে দূর করা হবে বলে মত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপনের।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন সভাপতি মেঘমল্লার বসু অবশ্য মনে করেন, চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সমাধান না হলে ডাকসু নির্বাচন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
প্রশাসন দাবি মানার পর ঢাবি ‘শান্ত’