দর্শকের উন্মাদনা আর টিকিটের জন্য হাহাকার। সপ্তাহজুড়ে এমনটাই চিত্র ছিলো জওয়ানের। দর্শক ফিরেছে হলে তাই মুখে হাসিও ফুটেছে হল মালিকদের।
ভারতের সাথে একই দিনে বাংলাদেশে জওয়ান মুক্তিকে ঘিরে দর্শক উন্মাদনা ছিল চরমে। তবে দেশে সিনেমা দর্শক হারাবে বলে শঙ্কাও প্রকাশ করেছেন দেশীয় প্রযোজকরা।
নতুন নতুন দর্শকের প্রেক্ষাগৃহমুখীতা আশা জাগিয়েছে হল মালিকদের। প্রেক্ষাগৃহ যখন সপ্তাহ জুড়ে হাউজফুল তখন হতাশা গ্রস্থ হল মালিকেদের মুখে হাঁসি ফুটবে এটাই স্বাভাবিক। জওয়ান প্রথম সপ্তাহে মুক্তি পেয়েছিল ৪৬ টি প্রেক্ষাগৃহে। তবে ২য় সপ্তাহে সিনেমাটির হল সংখ্যা না বাড়লেও বেড়েছে প্রদর্শনী।
হল মালিক সমিতি বলেছেন, ৮ তারিখ মুক্তির পর থেকে সিনেমাটি ভালো চলায় আমরা দ্বিতীয় সপ্তাহেও প্রদর্শনী নিয়ে গেছি। যদি ভালো যায় আমরা এর পরের সপ্তাহেও চালাবো।
স্টার সিনেপ্লেক্সে প্রথম সপ্তাহে প্রদর্শনী ছিল ৩০ টি আর ২য় সপ্তাহে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৭ টিতে। লায়নে প্রথম সপ্তাহে শো ছিল ৮ টি কিন্তু দ্বিতীয় সপ্তাহে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ টিতে, আর যমুনা ব্লক বাস্টারে শো বাড়ানো হয়েছে ছয়টি।
সিনেমাটির আমদানিকার প্রতিষ্ঠান একশন কাট ইন্টারটেইনমেন্ট এর কর্ণধার অনন্য মামুন বলেছেন, আগামী দেড় মাস হল থেকে নামবে না জওয়ান।
অনন্য মামুন আরও বলেছেন, দর্শক দর্শকের কথা রেখেছে। কারণ হলো শাহরুখ খান। এত বড় একটি সিনেমা আমরা একসাথে বসে দেখতে পারছি এটা সৌভাগ্যের বিষয়।
তবে শঙ্কাও প্রকাশ করেছেন অনেকেই। প্রথম সপ্তাহের মত ২য় সপ্তাহেও যদি জওয়ান দর্শক টানে এবং সেই ধারা তৃতীয় সপ্তাহেও অব্যাহত থাকে তবে তা হবে দেশীয় সিনেমার জন্য হুমকি স্বরূপ।
আগামী সপ্তাহে মুক্তির কথা রয়েছে অন্তর্জাল সিনেমার। তাই সিনেমার মানুষদের দাবী দেশীর চলচ্চিত্রের স্বার্থেই জাওয়ানের পাশাপাশি অন্তর্জালের হল প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে প্রদর্শক সমিতিকেই।
পর্দা উঠেছে টরেন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের