বিশ্ব ক্যামেরা দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকাই সিনেমার আলোচিত-সমালোচিত নায়িকা পরীমনি সামাজিক মাধ্যমে শেযার করেছেন তার বাউন্ডুলে জীবনের সুখস্মৃতি।
পরী লিখেছেন, আমার বাউন্ডুলে জীবনের প্রথম জাদুকর, যিনি আমাকে স্থীর এবং চরম ধৈর্য নিয়ে কোন কাজে মনোনিবেশ করাতে পেরেছিলেন। সেটা ফটোগ্রাফি! আমি তার মতন এত সাহস নিয়ে সাপ-টাপ এর ছবি হয়তো তুলতে পারিনি। কিন্তু অনেক প্রজাপতির ছবি তুলেছি। এমন হয়েছে যে, একটা ঠিকঠাক ক্লিক করতে আমার তিন-চার ঘন্টাও লেগে যেতো! এমন এমন প্রজাপতির ছবি তুলেছি যার নামও আমি জানিনা। ছবি তুলে ভাইয়াকে পাঠাতাম। উনি নাম বলে দিতেন।
পরীমনি তার সাথে ছবি শেয়ার করে লেখেন, আমি যার সাথে এই ক্যামেরা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি, তিনি দেশের অন্যতম ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার। তিনি বলেন, ছবি তোলার প্রেমে পড়ে এক দিনেই ছয়টা লেন্সসহ ক্যামেরা কিনে ফেললাম ২০১৮ তে। তার দুই তিন মাস পরেই ভাইয়া একটা কুমির ফার্মের দেখভালের দায়িত্বে চলে যান উখিয়া কক্সবাজার। তারপর আর কি...! আমিও আমার ক্যামেরা তুলে রেখে দেই আলমারিতে। শেষ।
তবে ছয় বছর আগের ছবির গল্প পোস্ট করার কারণ শুধুই ক্যামেরা দিবস নয়। পুরোনো ক্যামেরার ধুলো ঝেড়ে মুছে ছবি তোলায় আবারও মনোনিবেশ করলেন পরী। তিনি বলেন, গত দুদিন আমি বনে বাদাড়ে ঘুরেছি। অনেক ছবি তুলেছি। ভাইয়া (আদনান আজাদ) সঙ্গে ছিলেন। আমার যে ধৈর্য্য তৈরি হয়েছে সেটারও একটা পরীক্ষা হয়ে গেছে। এখন আমারা অনেক দারুন দারুন ছবি তুলবো প্রজাপতি, ফুল আর পাখিদের।
