পরীমণি সিনেমার আড়ালে অবৈধ ব্যবসা করতেন বলে জানিয়েছেন ডিবি।
শুক্রবার (৬ আগস্ট) দুপুরে মিন্টো রোডে অবস্থিত ডিবি কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ডিবি'র যুগ্ম-কমিশনার হারুন অর রশিদ।
এসময় হারুন অর রশিদ বলেন, নায়িকা পরিচয়ের আড়ালে তিনি কি কি অবৈধ ব্যবসা করতেন, কে কে এর সাথে জড়িত ছিল এসব বিষয়ে পরীমনির থেকে আমরা কিছু তথ্য পেয়েছি। আরও তথ্য পাবার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
পরীমনির এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে এক নারী সহকর্মী ও পরীমণির কষ্টিউম ডিজাইনার জিমির সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে বলেও জানান ডিরি'র এই কর্মকর্তা।
এসময় তিনি পরীমনির সহযোগী প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ সম্পর্কে বলেন, রাজ পড়াশোনা না জানা একটি ছেলে। সে সুন্দরী মডেলদের ব্যবহার করে উচ্চবিত্তদের মনোরঞ্জনের ব্যবস্থা করতেন। এছাড়া তিনি মাদক ব্যবসার সাথেও জড়িত ছিলেন।
আরও পড়ুন: শিল্পী সমিতির পদ হারাচ্ছেন পরীমনি ও একা?
বুধবার বনানীর বাসা থেকে আটকের পর পরীমনিকে গতকাল আদালতে তোলা হয়। এসময় আবেদনের প্রেক্ষিতে পরীমনি, রাজ ও আটক আরও দুইজনকে পৃথকভাবে চার দিন করে রিমান্ড রিমান্ড প্রদান করে আদালত। পরবর্তীতে পরীমনি ও তার সহযোহীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলো ডিবি তে প্রেরণ করা হয়।
এদিকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান বলেছেন, কোন শিল্পীর ব্যক্তিগত অপকর্মের দায় সমিতি নেবে না।
জানা যায়, চিত্রনায়িকা পরীমনি ও একার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শনিবার (৭ আগস্ট) শিল্পী সমিতি এক বৈঠকের আয়োজন করেছে। উক্ত বৈঠক থেকে সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এই দুই শিল্পীর সদস্যপদ স্থায়ী বা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
একাত্তর/আরএইচ
