ভারত সরকারেরর তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণ প্রত্যাখ্যান করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।
এক বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছেন, ‘পদ্মভূষণ পুরস্কার নিয়ে আমি কিছুই জানি না, এই নিয়ে কেউ কিছু বলেনি। যদি আমাকে পদ্মভূষণ পুরস্কার দিয়ে থাকে তাহলে আমি তা প্রত্যাখ্যান করছি’।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায়, ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে সামাজিক ও জনসেবামূলক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বুদ্ধদেবকে পদ্মভূষণ পুরস্কারে সম্মানিত করার কথা জানানো হয়৷
কিছুক্ষণ পরই বুদ্ধদেবের স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য ভারতীয় গণমাধ্যমকে জানান, বুদ্ধদেব শারীরিকভাবে দুর্বল হলেও সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে আগের মতোই দৃঢ়চেতা ও সবল।
মীরা আরো জানান, বুদ্ধদেবের বাড়িতে কেন্দ্রীয় সরকারের কেউ একজন ফোন করেছিলেন। তখন সম্মতি দেয়া হয়। তবে, বুদ্ধদেব বিষয়টি তখন জানতেন না।
এর আগে ‘ভারতরত্ন’ ফিরিয়ে দিয়েছিলেন বাংলার তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু। সেই পথেই হাঁটলেন সিপিআইএম (কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া- মার্ক্সিস্ট) দলের নেতা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ছাড়াও একইভাবে পদ্মশ্রী পুরস্কার ফিরিয়ে দিয়েছেন প্রবীণ সঙ্গীতশিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। পুরস্কার ঘোষণার আগের দিন তাকে জানানোর বিষয়টি তিনি ভালোভাবে নেননি।
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ৯০ বছর বয়সে তিনি পদ্মশ্রী পুরস্কার নিতে রাজি নন। সন্ধ্যা বলেন, ‘ফোন করে বললেই আমাকে যেতে হবে। শিল্পীদের আর কোনো সম্মান নেই’।
আরও পড়ুন: ওমিক্রন প্রতিরোধের ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন চুড়ান্ত: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর
পশ্চিমবঙ্গের আরেক শিল্পী অনিন্দ্য চ্যাটার্জিও পদ্মশ্রী নিতে অস্বীকার করেন। অনিন্দ্য চাটার্জি একজন তবলাশিল্পী।
এদিকে বর্ষীয়ান অভিনেতা ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়কেও এই সম্মান দেওয়া হবে বলে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে। তিনি সম্মান প্রত্যাখ্যান করেননি।
একাত্তর/আরবিএস
