ভারতীয় বংশোদ্ভূত বিতর্কিত ব্রিটিশ লেখক সালমান রুশদির উপর হামলা সম্পর্কে কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন ইরান সমর্থিত লেবানের সশস্ত্রগোষ্ঠী হিজবুল্লাহর একজন কর্মকর্তা।
শনিবার নাম প্রকাশ না করার শর্তে রয়টার্সকে তিনি এ মন্তব্য করেন।বলেন, এ বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না, তাই কোনো মন্তব্যও করবেন না। হিজবুল্লাহকে সমর্থন দিচ্ছে ইরান।
তাদের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি ১৯৮৮ সালে একটি ফতোয়া জারি করেন। ধর্মীয় ওই ডিগ্রিতে ধর্মদ্রোহীতার দায়ে রুশদিকে হত্যার আহ্বান জানানো হয়।
শুক্রবার নিউইয়র্কে হামলার শিকার হন রুশদি। পুলিশ জানায়, সন্দেহভাজন হামলাকারী নিউ জার্সির বাসিন্দা ২৪ বছর বয়সী হাদি মাতার।
লেবাননের বংশোদ্ভূত মাতারের বাবা-মা যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর পর সেখানে তার জন্ম এবং বেড়ে উঠা। তার পরিবারের সঙ্গে হিজবুল্লাহর সম্পর্ক আছে কিনা জানা যায়নি।
হাদি মাতারের সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট খতিয়ে প্রাথমিকভাবে দেখা গেছে তিনি ‘শিয়া উগ্রবাদ’ এবং ইরানের ইসলামী বিপ্লবী বাহিনীর (আইআরজিসি) প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন।
আরও পড়ুন: যা জানা গেছে সালমান রুশদির হামলাকারী সম্পর্কে
হাদি মাতার ও আইআরজিসির মধ্যে সরাসরি কোনও সংযোগ পাওয়া যায়নি। তবে তার ফোনে ২০২০ সালে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত ইরানি কমান্ডার কাসেম সোলাইমানির ছবি রয়েছে।
শুক্রবার রাতে নিউইয়র্কের চটকুয়া ইনস্টিটিউটে এক অনুষ্ঠানে সালমান রুশদি বক্তব্য শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যে হাদি মাতার দৌড়ে মঞ্চে উঠে যান।
সেখানে তার চালানো ছুরি হামলায় সালমান রুশদি ছাড়াও সাক্ষাৎকার গ্রহীতা হেনরি রেসি আহত হন। তবে রেসির মাথায় পাওয়া আঘাত গুরুতর নয়।
একাত্তর/এসি
