চতুর্থ ধাপে দেশের ৮৩৬টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট নেয়া শেষে চলছে গণনার কাজ। আগের ধাপের মতো এই ধাপেও ভোটারদের উপস্থিতি ছিলো অনেক।
শীত উপেক্ষা করে সকাল থেকে লম্বা লাইনে দাড়িয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। শুধু পুরুষ ভোটারই নয় কেন্দ্রগুলোতে নারীদের উপস্থিতিও ছিলো অনেক।
একাত্তরের সহকর্মীরা জানিয়েছেন, সকালের দিকে বেশিরভাগ ভোট কেন্দ্রে নারীর সঙ্গে পুরুষ ভোটাদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পরার মত। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি কমছে।
আবার কোথাও কোথাও ছিলো উল্টো চিত্র। সকালের দিকে ভোটারের উপস্থিতি কম ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার উপস্থিতি বাড়ছে। সেই সঙ্গে দীর্ঘ হচ্ছে ভোটারদের লাইন।
রংপুর জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কেন্দ্রগুলোর সামনে সকাল থেকেই ছিলো ভোটারদের লম্বা লাইন। শীত উপেক্ষা করে পুরুষ ভোটারের পাশাপাশি নারী ভোটাররাও কেন্দ্রে গেছেন।
শীত ও কুয়াশা তারপরও পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর ভোট কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে নারী ও পুরুষ ভোটাররা লাইনে দাঁড়িয়েছেন।
এদিকে যশোরের অভয়নগরের আট ইউনিয়ন পরিষদে উৎসব মুখর পরিবেশে চলছে ভোটগ্রহণ। ভোটাররা জানান, পছন্দের প্রার্থীকে বজয়ী করতে শান্তিপূর্ণভাবেই তারা ভোট দিতে পারছেন।
লক্ষীপুর সদরের ১৫ ইউনিয়নের ১৫৬টি ভোটকেন্দ্রে পুরুষ ভোটারের পাশাপাশি নারী ভোটারদের সংখ্যাও ছিলো অনেক।
আর, চাঁপাইনবাবগঞ্জের কেন্দ্রগুলোতেও নারী ভোটারদের সংখ্যা অনেক। নাচোল ও ভোলাহাটের আটটি ইউনিয়ন মোট ভোটার প্রায় পৌণে দুই লাখ।
নেত্রকোনায় চতুর্থ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। একই চিত্র ছিলো বান্দরবানের থানচির দূর্গম উপজেলার ভোট কেন্দ্রে।
চতুর্থ ধাপে সিলেট জেলার ২০টি ইউনিয়নের প্রতিটি কেন্দ্রেও নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিলো অনেক। আর বেলা বাড়ার সঙ্গে পুরুষ ভোটারের সংখ্যাও বাড়তে থাকে।
চতুর্থ ধাপরে ৮০০ ইউপিতে ব্যালট এবং ৩৮টিতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোট নেয়া হয়েছে। ভোট সুষ্ঠু করতে প্রতি কেন্দ্রেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নির্বাচন কমিশন।
প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সর্তকাবস্থায় আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মাঠে রয়েছে ম্যাজিস্ট্রেটের টিম। এছাড়া কেন্দ্রের দায়িত্বে রয়েছেন বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।
একাত্তর/ এনএ
