১৫৯ উপজেলাকে ভূমি ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট : ২২ মার্চ ২০২৩, ০৩:৪৩ পিএম

নরসিংদী, গাজিপুর, মাদারীপুর, চুয়াডাঙ্গা, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও জয়পুরহাট জেলার সব উপজেলাসহ সারাদেশের ১৫৯টি উপজেলাকে ভূমি ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (২২ মার্চ) চতুর্থ ধাপে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিতরণ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন।

এদিন আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে জমির মালিকানাসহ চতুর্থ পর্যায়ে ৩৯ হাজার ৩৬৫টি ঘর হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী। 

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প, সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার নন্দিগাঁও ইউনিয়নের নওয়াগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং বরিশাল জেলার বানারিপাড়া উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্পের উপকারভোগীদের সঙ্গে যুক্ত হন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা আমাদের স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। তিনিই ভূমিহীন ও গৃহহীনদের আশ্রয় দিতে গুচ্ছগ্রাম করেন। দেশে কোনো ভূমিহীন ও গৃহহীন থাকবে না, সরকার সেই লক্ষে কাজ করছে। দুঃখি মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে পারা অনেক আনন্দের।

তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ জনগণের দল। এ দল মানুষের পাশে থাকে।  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর দেশে কোনো মানুষ ঠিকানাবিহীন থাকবে না।

সরকারপ্রধান বলেন, তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কেউ ভূমিহীন হয়ে যায় তাদেরও ঘর করে দেয়া হবে। প্রতিটা মানুষ ঘর পাবে, আশ্রয় পাবে। বেকার হয়ে থাকবে না। সম্মানের সাথে বেঁচে থাকবে। 

তিনি বলেন, ৭৫ এর পর যারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছে তারা দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে, নিজেদের ভাগ্য গড়েছে। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় এসেছে মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করেছে সেটা আজ প্রমাণিত সত্য। 

সরকার সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৭ সাল থেকে ঘর করে দিয়েছিলাম। ইতিমধ্যেই পাঁচ লাখ ৫৫ হাজার পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।

এদিন চিহ্নিত দুই লাখ ৫৯ হাজার ২৩৭টি পরিবারের মধ্যে দুই লাখ ১৫ হাজার ৮২৭টি পরিবারকে ঘর হস্তান্তর সম্পন্ন হচ্ছে। অবশিষ্ট ৪৩ হাজার ৪১০টি পরিবারের মধ্যে ২২ হাজার ১০টি পরিবার চিহ্নিত করে আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে দুই শতাংশ জমিসহ একক গৃহ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাকি ২১ হাজার ৪০৪টি পরিবার চিহ্নিত করে তাদের পুনর্বাসনের মাধ্যমে ‘দেশের কোনোও মানুষ ভূমিহীন-গৃহহীন থাকবে না’ বলে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হবে।


একাত্তর/এসি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিরোধিতা করতে গিয়ে স্বৈরাচার ফিরে আসার পথ উন্মুক্ত করা হলে তা হবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি।
ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বীর শহীদদের অমর স্মৃতি সংরক্ষণ এবং স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামের চেতনাকে চির অম্লান করে রাখতে রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে নির্মিত দৃষ্টিনন্দন ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সংগ্রাম করেছে। একইভাবে আগামী দিনে...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো এলাকাকে মানুষের কল্যাণে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। ঢাকার আমিনবাজারে গত দুই মাসে দৃশ্যমান পরিবর্তন এর...
দেশে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসা ব্যবস্থার মতো স্পর্শকাতর খাতগুলোতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর চরম অকার্যকারিতা ও ব্যর্থতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের তীব্র সমালোচনা...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিরোধিতা করতে গিয়ে স্বৈরাচার ফিরে আসার পথ উন্মুক্ত করা হলে তা হবে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি।
ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও বাসযোগ্য করে তুলতে সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সৌদি আরবে সম্প্রতি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি নারী ও পুরুষের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উদ্ধার এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর