ঈদে বাড়ি যেতে দেশের বিভিন্ন সড়ক ও ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী যানবাহনের চাপ বাড়লেও নেই কোনো যানজট। স্বস্তিতেই গন্তব্যে যেতে পারছেন মানুষ।
মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়ে গেছে ঈদের ছুটি, শুরু হয়েছে বাড়ি ফেরার তাড়া। ঢাকা থেকে বিভিন্ন জেলার উদ্দেশ্যে অজস্র মানুষ বাড়ি ফেরা শুরু করলেও সড়কে যানজট দেখা যায়নি। তবে কোনো কোনো যাত্রীর অভিযোগ, তাদের কাছ থেকে ভাড়া বেশি নেয়া হচ্ছে।
যাত্রীরা বলছেন, আগের মত ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় আটকে থাকার দুর্ভোগ এবার নেই। এদিকে মহাসড়ক স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন দল।
এদিন সকাল থেকেই ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কে বাড়ে যানবাহন। একারণে চান্দনা চৌরাস্তা, ভোগড়া বাইপাস, বোর্ডবাজার, গাজীপুরাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে যানবাহন চলে থেমে থেমে।
এই এলাকায় যানজট মোকাবেলায় সড়কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১২টি দল কাজ করছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান।
তবে রাস্তায় দুর্ভোগ না থাকলেও পরিবহনে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করছেন যাত্রীরা।
একইভাবে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা, টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন পয়েন্টে বাড়তি যানবাহনের কারণে কমেছে গাড়ির গতি। তবে নেই যানজট। স্বস্তিতেই বাড়ি ফিরতে পারছেন উত্তরবঙ্গের ২৩ জেলার মানুষ।
স্বাভাবিক রয়েছে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল গোল চত্বর এলাকাসহ মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট। ঈদযাত্রা স্বস্তির হওয়ায় খুশী এই পথ ব্যবহারকারীরা।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পণ্যবাহী যানবাহনের চেয়ে গরুবাহী ট্রাকের সংখ্যা বেশি। এই সড়কে হাইওয়ে পুলিশের সেবা পেতে চালু হয়েছে হ্যালো এইচপি মোবাইল অ্যাপ।
মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে অপেক্ষা ছাড়াই সহজে ফেরি পারাপার হচ্ছে যানবাহন। এতে খুশি যাত্রীরা।
যানজট না থাকায় সব ধরনের ট্রাক পারাপার স্বাভাবিক রেখেছে ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ।
একাত্তর/আরবি
