যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনে কোনো দলের পক্ষপাতিত্ব করবে না বলে জানিয়েছেন সফররত মার্কিন গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি।
বৃহস্পতিবার গণভবনে দীর্ঘ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ কথা জানান যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি আজরা জেয়া।
এছাড়াও নতুন ভিসা নীতি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনে সহায়তা করবে বলে মনে করেন তিনি।
নির্বাচনের বছর মার্কিন প্রতিনিধি দলের ঢাকা সফরের এই দফায় যে বৈঠকের দিকে সবার মনোযোগ, সকাল সাড়ে নয়টায় গণভবনে তার শুরুটা ছিল উষ্ণ করমর্দনে। নির্ধারিত সময়ের বাইরে আলোচনা গড়ায় পারস্পরিক স্বার্থ বিষয়ে। আসন্ন নির্বাচনে কোনো দলের পক্ষপাতিত্বে নেই যুক্তরাষ্ট্র। শেখ হাসিনার যে চাওয়া অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন। নতুন ভিসা নীতি তাতে সহায়তা করবে বলে মনে করেন আজরা।
জবাবে, বিএনপির হাতে ২১ আগস্ট, জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসের বিস্তার বনাম তার সরকারের রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া থেকে নির্বাচনী ব্যবস্থার সংস্কারের তথ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। মানবাধিকার, সুশাসন রক্ষা আর উন্নয়নে নিজের সরকারের সফলতা আজরাকে জানান শেখ হাসিনা।
বহুল আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের প্রসঙ্গ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের এজেন্ডাতেই রাখেননি মিস জেয়া।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিনের দ্বিতীয় কর্মসূচিতে দাশেরকান্দি পয়ঃশোধনাগার উদ্বোধন করে বলেন, ৪০ লাখ নগরবাসী এর সুবিধা পাবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, শতভাগ বিল আদায়, রাজস্ব সংগ্রহে সফলতার কারণে ওয়াসার সফলতার স্বীকৃতি এখন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে।
আরও পড়ুন: রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ চায় যুক্তরাষ্ট্র
প্রধানমন্ত্রী ২০৩০ সাল নাগাদ স্মার্ট বাংলাদেশের অংশ হিসাবে সারাদেশের জন্য মাস্টারপ্ল্যান করার নির্দেশ দেন।
একাত্তর/জো
