সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনীয় সামরিক প্রস্তুতির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৫:২৪ পিএমআপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৭:৪৭ পিএম
ইমেজ: পিএমও
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষায় প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।
রোববার নৌবাহিনী প্রধানের সচিবালয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী সিলেকশন বোর্ডে দেয়া ভাষণে তিনি বলেন, ‘আমরা কারও সাথে যুদ্ধ চাই না, বরং শান্তিতে থাকতে চাই। কিন্তু আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে হবে।’ খবর বাসসের।
প্রধানমন্ত্রী দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিকীকরণের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, জনগণের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির স্বার্থে বাংলাদেশ সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘প্রতিটি দেশের সাথে আমাদের খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে। যেহেতু আমরা জাতির পিতার দেয়া নীতি অনুসরণ করছি, তাই আমরা সবার সাথে সমানভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখছি। কারণ আমাদের লক্ষ্য দেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করা।’
দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তার সরকারের প্রচেষ্টার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, সরকার সফলভাবে দেশের জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি সাধন করছে।
জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা কারও সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হব না। আমরা সবার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখব।’
তিনি বলেন, তার সরকার সফলভাবে এই ধরনের সম্পর্ক বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরীতা নয়’- পররাষ্ট্র নীতি অনুসরণ করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।
দেশের চলমান জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলা ও দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে ১৫০টি নতুন কূপ খননের বিশাল পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যে ৩০টি কূপের খননকাজ শেষ হয়েছে এবং আরও সাতটি কূপের খনন চলমান রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই ফিরিয়ে আনেনি, সংসদীয় গণতন্ত্রও এ দলের হাত ধরে এসেছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা ও জনগণের...
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করার সময় সৌদি আরবের জাতীয় নৌপরিবহন সংস্থা 'বাহরি'র মালিকানাধীন একটি তেলবাহী সুপারট্যাঙ্কারে ইরানি সামরিক বাহিনী হামলা চালিয়েছে। সোমবার রাতের...
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার তীব্র সামরিক সংঘাতের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই চার বছরের মধ্যে প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্য সফরে মিশর পৌঁছেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বুধবার মিশরের রাজধানী কায়রোতে...
নিচ্ছক কোনো আনুষ্ঠিকতার নির্বাচন নয়, বরং তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণ ও জবাবদিহি নিশ্চিতে স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী...
মাত্র এক দশক আগে ২০১৫ সালের ৭.৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উদ্ধারকারী সংস্থা ত্রাণ সহায়তায় ও ক্ষতি মূল্যায়নে যে ড্রোন প্রথম নেপালে নিয়ে এসেছিল, বুধবার স্থানীয় নেপালি...
সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রয়োজনীয় সামরিক প্রস্তুতির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষায় প্রস্তুতির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।
রোববার নৌবাহিনী প্রধানের সচিবালয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী সিলেকশন বোর্ডে দেয়া ভাষণে তিনি বলেন, ‘আমরা কারও সাথে যুদ্ধ চাই না, বরং শান্তিতে থাকতে চাই। কিন্তু আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিতে হবে।’ খবর বাসসের।
প্রধানমন্ত্রী দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিকীকরণের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, জনগণের আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির স্বার্থে বাংলাদেশ সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘প্রতিটি দেশের সাথে আমাদের খুব ভালো সম্পর্ক রয়েছে। যেহেতু আমরা জাতির পিতার দেয়া নীতি অনুসরণ করছি, তাই আমরা সবার সাথে সমানভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখছি। কারণ আমাদের লক্ষ্য দেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করা।’
দেশের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তার সরকারের প্রচেষ্টার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, সরকার সফলভাবে দেশের জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নতি সাধন করছে।
জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সরকারের লক্ষ্য বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা কারও সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হব না। আমরা সবার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখব।’
তিনি বলেন, তার সরকার সফলভাবে এই ধরনের সম্পর্ক বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরীতা নয়’- পররাষ্ট্র নীতি অনুসরণ করে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।
বিষয়: