স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, সারাদেশের পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া শিশু ও কিশোরীদের এইচপিভি টিকা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বহির্ভূত ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হবে। প্রথম দিকে ২৩ লাখ কিশোরীকে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সোয়া কোটি মেয়েকে এই টিকা দেওয়া হবে।
রোববার দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন কালে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এইচপিভি টিকা জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধে খুবই কার্যকর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত। এর কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। পরে অন্য নারীরাও এই টিকা নিতে পারবেন।

স্থানীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, মানিকগঞ্জে প্রায় ৭৪ হাজার শিশুকে (১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী) জরায়ুমুখে ক্যান্সার প্রতিরোধী টিকা দেয়ার টার্গেট নেয়া হয়েছে। জেলার সাত উপজেলা ও একটি পৌরসভা মিলে মোট এক হাজার ২০৭টি বিদ্যালয়ের শিশুদের এই টিকার আওতায় আনা হয়েছে।
এরই মধ্যে টার্গেটের ৩০ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ২৩ হাজার শিশু টিকার নিবন্ধন হয়েছে বলেও জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক রেহেনা আকতার, স্বাস্থ্য বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডা. রাশিদা সুতানা, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মহীউদ্দীন, পৌর মেয়র মো. রমজান আলী ও সিভিল সার্জন ডা. মোয়াজ্জেম আলী খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
গাজীপুরে জরায়ুমুখ ক্যান্সারের টিকাদান শুরুজ