গাজীপুরে জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীরা বিনামূল্যে এইচপিভি টিকা পাচ্ছে রোববার থেকে। এছাড়া পোশাক শ্রমিকরা গত দু'মাস ধরে এই টিকা পাচ্ছেন। চিকিৎসকরা বলছেন, প্রাথমিক পর্যায়ে জরায়ুমুখের ক্যান্সার ধরা পড়লে যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে দ্রুত সুস্থ হওয়া সম্ভব।
শ্রীপুরের বরকুল এলাকার জায়েদা বেগমের জরায়ু ক্যান্সার ধরা পড়েছে বছরখানেক আগে। অভাবে অনটনের সংসার, তাই সঠিক চিকিৎসা হচ্ছে না।
গবেষণা বলছে, দেশে নারীদের স্তন ক্যান্সারের পর জরায়ু মুখ ক্যান্সারে আক্রান্তের হার বেশি। সম্প্রতি গাজীপুরে তিন হাজার ৭৫৫ পোশাক শ্রমিককে পরীক্ষা করে ৫৩ জনের এই ক্যান্সার পেয়েছে সিভিল সার্জন অফিস।
রোগীরা বলছেন, দেরিতে শনাক্ত হওয়ার বেড়ে গেছে চিকিৎসা খরচ।
জরায়ু মুখ ক্যান্সারের সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা কমাতে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী মেয়েদের টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে ১৫ই অক্টোবর থেকে গাজীপুরের স্কুলগুলোতে শুরু হবে টিকা কার্যক্রম। পাশাপাশি কমিউনিটি ক্লিনিকেও চলবে এই আয়োজন।
গাজীপুরের সিভিল সার্জন ডা. খায়রুজ্জামান বলেন, এইচপিভি টিকা দেয়া শুরু হয়েছে। গার্মেন্টস এলাকায় আমাদের এই কার্যক্রম চলছে। হাসপাতালেও হচ্ছে কিন্তু গার্মেন্টস এলাকায় যে ৪০ থেকে ৫০ লাখ কর্মী আছেন, তাদের মধ্যে অনেক নারী আছেন, তাদের জন্য এই কার্যক্রম চলছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, জীবাণু প্রবেশের পর জরায়ুমুখের ক্যান্সার হতে ১৫ থেকে ২০ বছর সময় লাগে। অর্থাৎ এটি নির্ণয়ে অনেকটা সময় পাওয়া যায়। তাই নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের ওপর জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
শব্দদূষণমুক্ত দেশ গড়তে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন: পরিবেশমন্ত্রী