আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ঢাকার সব বিদ্যুৎ লাইন মাটির নিচ দিয়ে নেয়া হবে। এর মধ্য দিয়ে সাশ্রয়ীমূল্যে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানান জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
সোমবার সন্ধ্যায় এফডিসিতে এটিএন বাংলার উদ্যোগে বিদ্যুৎখাতের অগ্রগতি নিয়ে নির্মিত এক তথ্যচিত্রের প্রদর্শনীতে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ নিয়ে আমাদের সামনের দিনের চ্যালেঞ্জ হচ্ছে নিরবিচ্ছিন্ন, সাশ্রয়ী এবং মানসম্মত বিদ্যুৎ দেওয়া। আমরা আন্ডার গ্রাউন্ড ক্যাবলে যাচ্ছি। আগামী ৫ বছরে বড় সিটিতে তার দৃশ্যমান থাকবে না। বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতের পোর্টফোলিও ৪০ বিলিয়ন ডলার, এটা কোথা থেকে এলো। একমাত্র আস্থার কারণে এই বিনিয়োগ এসেছে। আমেরিকার বড় কোম্পানি শেভরন, এক্সিলারেট, ভারতের টাটা, আদানি, রিলায়েন্স, সিঙ্গাপুর সেমকপ, মারুবিনি এসেছে। বাংলাদেশে অনেক বড় কোম্পানি তৈরি হয়েছে। করোনা এবং ইউক্রেন যুদ্ধ আমাদের কিছুটা সমস্যায় ফেলেছে। অনেক দেশ এই সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। আমরা ভালো আছি এটা দাবি করবো না, তবে অন্যদের তুলনায় ভালো আছি।
তিনি বলেন, বিগত ৬০ বছরে ৪০ শতাংশ বাড়িতে বিদ্যুৎ দিয়েছে, আর মাত্র ১৩ বছরে আমরা ৬০ শতাংশ বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি। সঙ্গে সঙ্গে সিস্টেম লসও কমিয়ে আনা হয়েছে। এরশাদের সময়ে ৪৪ শতাংশ সিস্টেম লস ছিল। বিএনপির সময়ে ছিল ২২ শতাংশ , এখন কোন কোন জায়গায় ৬ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনতে পেরেছি।
এরই মধ্যে ঢাকার ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন এলাকায় ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে মাটির নিচের বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের কাজ শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি। এসময় জরুরিভিত্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্যই ক্যাপাসিটি চার্জ দেয়া হয় বলে জানান, নসরুল হামিদ।
