সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণই সরকারের বড় চ্যালেঞ্জ। সেই সাথে চ্যালেঞ্জ রয়েছে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করে দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেয়া। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন ও জনপ্রত্যাশা শীর্ষক নাগরিক সংলাপে একথা বলেন বিশিষ্টজনরা। কেন্দ্রে উপস্থিতির পাশাপাশি নিজ ভোটাধিকার প্রয়োগেরও তাগিদ দেন তারা।
দুয়ারে কড়া নাড়ছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি ও ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে চ্যালেঞ্জগুলো কী; তা নিয়েই এই নাগরিক সংলাপ।
গেলো ১৫ বছরে দেশে বড় বড় অবকাঠামো নির্মাণসহ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা যেমন আছে তেমনি ব্যাংকসহ আর্থিক খাতে সুশাসনের ঘাটতিও দেখা দিয়েছে। সাথে আছে দুর্নীতি ও বিদেশে অর্থপাচার। এসব ক্ষেত্রে সুশাসন নিশ্চিত করাকেই আগামী সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন বক্তারা।

এডিটরস গিল্ডের সভাপতি ও একাত্তর টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু বলেন, ভালো মানুষের একটা সরকার, সুশাসনের একটা সরকার প্রতিষ্ঠার যে সুযোগ হয়েছে সেটা জাতি গ্রহণ করবে। সেখান থেকেই আমরা অর্থনীতি এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে সুশাসনের একটা ধারা সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবো।
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দীন ইউসুফ বলেন, দুর্নীতি এবং জঙ্গিবাদ মুক্ত একটা সমাজ এবং রাষ্ট্র চাই।
অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল বেশিরভাগ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে মূল্যস্ফীতির লাগাম টানা জরুরি বলেও মনে করেন বক্তারা।

অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধুর হত্যা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে বিভাজন ও অনাস্থা সৃষ্টি করেছে, সেটির সুযোগ নিচ্ছে বিদেশিরা। নির্বাচন প্রতিরোধ করার ঘোষণা দেওয়া দলগুলো যাতে নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে না পারে, সেদিকে সর্বাত্মক নজর রাখতে হবে।
২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ গড়তে যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক দখলদারিত্ব বন্ধের দাবিও তোলেন বিশিষ্টজনেরা।
