রাজধানীর পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ২৮তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রোববার সকাল ১০টার দিকে তিনি এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষ্যে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। গত বৃহস্পতিবার থেকে পুলিশের পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর) ও জেলা পুলিশ নিরাপত্তার জন্য কাজ করছে।
এবার মেলার সরকারের উন্নয়নমূলক চিত্র ফুটিয়ে তুলে ধরতে বঙ্গবন্ধু টানেলের আদলে নির্মাণ করা হয়েছে প্রধান প্রবেশদ্বার। পাশাপাশি থাকবে রূপপুর পারমাণবিক বিদুৎ কেন্দ্র, মেট্রোরেল, পদ্মা সেতুসহ বিভিন্ন উন্নয়ন চিত্র। মেলায় এবার বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়ন নির্মাণ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়ির আদলে। মেলায় ১০ ক্যাটাগরিতে থাকছে ৩৫০টি স্টল। থাকছে ১২ টি দেশের অংশগ্রহণে বিভিন্ন ধরনের স্টল।
এছাড়াও মেলায় আগত শিশুদের জন্য থাকছে একটি অত্যাধুনিক শিশু পার্ক। মেলায় যেন কোন প্রকার সমস্যার সৃষ্টি না হয় সেজন্য সিসি ক্যামেরার পাশাপাশি থাকছে ৫টি ওয়াচ টাওয়ার। রাজধানী প্রবেশদ্বার কুড়িল থেকে বাণিজ্য মেলায় আসা-যাওয়ার জন্য শেখ হাসিনা সরণি সড়কটি পুরোপুরি খুলে দেয়ায় রাজধানীসহ আশেপাশের দর্শনার্থীরা নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারবেন এবারের মেলায়।
এবছর মেলায় বড়দের প্রবেশের টিকেটের মূল্যে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা, শিশুদের জন্য টিকেটের মূল্যে ২০-২৫ টাকা।
প্রতিদিন মেলা খোলা রাখা হবে সকাল ৯ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। ছুটির দিন খোলা থাকবে সকাল ৯ টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মেলায় দর্শনার্থীর সংখ্যা বেশি হবে বলে আশা করছে মেলা কর্তৃপক্ষ।
শহীদ আসাদ মুক্তিকামী মানুষের মাঝে বেঁচে থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী
পশ্চিমাদের পাশ কাটিয়ে শেখ হাসিনার পাশে জাপান