মিয়ানমার চলমান গৃহযুদ্ধ নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতকে সতর্ক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু।
একইসঙ্গে তিনি বলেছেন, মিয়ানমারের পরিস্থিতির শিগগিরই উন্নতি হবে না এবং বাংলাদেশ ও ভারতকে সমর্থন করতে হবে।
ওয়াশিংটনের থিঙ্কট্যাঙ্ক ‘ইউএস ইন্সটিটিউট অব পিস’- প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
ডোনাল্ড লু বলেন, রোহিঙ্গা সংকট ও মিয়ানমারে চলমান অস্থিরতার কারণে দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোতে এর প্রভাব অব্যাহত থাকবে।
মিয়ানমারের জান্তা সরকারের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলছে। যুদ্ধে বিদ্রোহীদের সঙ্গে টিকতে না পেরে ক্রমাগত পিছু হটছে জান্তা বাহিনী। বিদ্রোহীরা ইতোমধ্যেই মিয়ানমারের ৫৩ শতাংশ ভূমির দখল নিয়েছে।
আর গত দুই ফেব্রুয়ারি রাত থেকে নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ওপারে বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সঙ্গে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি ও সেনাদের সংঘর্ষ চলছে। প্রাণঘাতী এ গৃহযুদ্ধের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। সীমান্ত পাড়ি দিয়ে জান্তা সরকারের সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা বাংলাদেশে ঢুকে আশ্রয় প্রার্থনা করছেন।
মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেন, মিয়ানমার পরিস্থিতির শিগগিরই উন্নতি হচ্ছে না। এ কারণে বাংলাদেশ ও ভারতের জন্য যে শরণার্থী সংকট ও নিরাপত্তা সমস্যা তৈরি হচ্ছে, তা সামনে আরো গভীর হতে পারে।
আর তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে-মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই অঞ্চলে সব অংশীদার বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ভারতকে সমর্থন করতে হবে, যাতে তারা তাদের দেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা বাড়তে না দিয়ে এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে পারে।
যুদ্ধ বন্ধের উপায় খুঁজতে জেলেনস্কিকে তাগাদা প্রধানমন্ত্রীর