দেশের রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ ও বাজার সম্প্রসারণ করতে সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগ নিতে তাগিদ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
মঙ্গলবার জাতীয় বস্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় বৈদেশিক বাণিজ্য এখন অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং, প্রতিযোগিতামূলক এবং জ্ঞান ও নীতিমালাভিত্তিক। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।
তিনি বলেন, কয়েকটি পণ্যের ওপর নির্ভর না করে রপ্তানির ঝুড়িতে পণ্যের সংখ্যা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি রপ্তানি গন্তব্যও বাড়াতে হবে।
‘গুটিকয়েক দেশের ওপর নির্ভর না করে, বিশ্বের সম্ভাব্য সব স্থানে আমাদের রপ্তানি পণ্যের বাজারকে ছড়িয়ে দিতে হবে,’ বলেন রাষ্ট্রপতি।
আর এ ব্যাপারে কূটনৈতিক মিশনগুলোকে কাজে লাগাতে হবে এবং অর্থনৈতিক কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও পারিশ্রমিক নিশ্চিত করতে হবে। শ্রমিকরাই উৎপাদনমুখী শিল্পের চালিকাশক্তি। কারখানা ও শ্রমিক একে-অপরের পরিপূরক। শ্রমিক ভালো থাকলে কারখানা ভালো থাকবে।
কোনো দুষ্টচক্র বা স্বার্থান্বেষী মহল যাতে উৎপাদনমুখী কারখানার পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে সে ব্যাপারেও সজাগ থাকতে হবে বলে জানান তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম শক্তিশালী, নিরাপদ ও যুগোপযোগী করে গড়ে তুলতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য দেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্র শিল্পে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য পোশাক কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে।
‘বস্ত্র খাতে বিনিয়োগ, উৎপাদনশীলতা, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি বৃদ্ধির পাশাপাশি নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব শিল্পকারখানা গড়ে তুলতে হবে,’ বলেন তিনি।
এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন কারিগরি শিক্ষা সম্প্রসারণ ও দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকারের পাশাপাশি ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও বিনিয়োগকারীদেরকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন।
জনগণের বন্ধু হয়ে সেবা করুন, পুলিশকে প্রধানমন্ত্রী 