অদ্ভুত যে রোজায় মজুত করে দাম বাড়ানো হয়: শেখ হাসিনা

আপডেট : ০৬ মার্চ ২০২৪, ১২:১২ এএম

ব্যবসায়ীরা রোজার সময় পণ্য মজুত করে দাম বাড়িয়ে দেয়- সেটি মাথায় রেখে সরকার মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী ও রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, স্যাংশন, কাউন্টার স্যাংশন ও কোভিড অতিমারির পরে এই মূল্যস্ফীতি ব্যাপকভাবে দেখা দিয়েছে। কেবল বাংলাদেশ নয় বিশ্বের উন্নত দেশেও এই মূল্যস্ফীতি দেখা দিয়েছে। সে ক্ষেত্রে আমাদের দেশে যাতে নিয়ন্ত্রণ করা যায় সেজন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছি।

সরকারপ্রধান বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি- রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য যাতে সহনশীল থাকে। এখানে একটু অদ্ভুত ব্যাপার- দাম বৃদ্ধি করে দেয়া হয়, মজুত করা হয়। সেগুলো লক্ষ্য রেখেই মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

তিনি বলেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্যপণ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিচ্ছি। আটটি বিভাগে আটটি সংরক্ষণাগার আমরা করার ব্যবস্থা নিচ্ছি। কৃষক যাতে পণ্যের ন্যায্যমূল্য পায় সেটা দেখা হবে। কৃষিতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখবো।

তিনি বলেন, মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ সকলের সাথে সমন্বয় করে আমরা দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাবো। আমরা দেশের মানুষের কল্যাণে পরিকল্পনা গ্রহণ করবো। চলমান পরিকল্পনা দ্রুত শেষ করবো। পাশাপাশি দেশে যে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিয়েছে, দ্রব্যমূল্য যাতে নিয়ন্ত্রণ হয় তার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করবো।

অগ্নিসন্ত্রাসে ছাড় নয়

মানুষ খুন আর অগ্নিসন্ত্রাসের ঘটনায় কোনোা ছাড় নয় বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত দিনের পর দিন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছে, অগ্নিসন্ত্রাস করছে, পুড়িয়ে মানুষ মারছে। এ ধরনের অপরাধ যারা করে তাদের ক্ষমা করা যায় না। তাদের শাস্তি পেতেই হবে। হুকুমদাতা, অর্থপ্রদানকারী আর সরাসরি জড়িতদের কেউ রেহাই পাবে না।

নির্বাচন পূর্ববর্তী ঘটনার সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের ঘটনা দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির তরফ থেকে দেশে-বিদেশে বার বার লেখা হচ্ছে- তাদের এতো লোক অ্যারেস্ট । সব দেশে-বিদেশে নালিশ করছে। বিএনপির সব নাকি রাজবন্দি। যারা এভাবে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মানুষ মারে তারা কি রাজবন্দি হয়? তারা তো সন্ত্রাসী, তারা জঙ্গিবাদী, তারা অপরাধী। রাজনৈতিক কারণে তো কেউ গ্রেপ্তার নেই। যারা গ্রেপ্তার আছে হয় হুকুমদাতা না হয় সরাসরি অগ্নিসন্ত্রাসে জড়িত। অথবা অর্থপ্রদানকারী। এই হুকুমদাতা, অর্থপ্রদানকারী আর সরাসরি জড়িত কেউ রেহাই পাবে না। এটা হলো বাস্তবতা।

দলের সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ করে সংসদ নেতা বলেন, নিজ নিজ এলাকায় যারা এ ধরনের অপরাধ করেছে, যেসব মামলা চলছে। সেই মামলাগুলো যেন যথাযথভাবে চলে, সাক্ষী-সাবুদ যেন হয়, শাস্তি যেন তারা পায়।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি ইঙ্গিত করে শেখ হাসিনা বলেন, এদের চরিত্র মানুষ খুন করা। তার দুর্নীতি করা, লন্ডন থেকে হুকুম আসে। তারা এখানে আগুন দেয়, মানুষ খুন করে, আবার ছবিও পাঠাতে হয়। কী চমৎকার কথা! ভিডিও কনফারেন্সে হুকুম আসে। তারা তামিল করে। আগুন দিয়ে মানুষ মেরে, পুলিশ মেরে সেই ছবি পাঠায়। তাহলে আর তো সাক্ষী-সাবুদ কী দরকার। তারা নিজেরাই আলামত রেখে দিচ্ছে। তাদেরকে গ্রেপ্তার করলে তারা রাজবন্দি হয় কি করে? একজন হাজার মাইল দূরে বসে হুকুম দেয়, আর তামিল যারা করে তাদের যে বিপদে ফেলা হয়। এটা কী বিএনপির নেতাকর্মীরা বুঝে না? তাদের কী আক্কেল নেই। আরেকজন বলছে, ছবি গোপনে দাও। ছবি না দিলে নাকি তাদের ক্রেডিট থাকে না নেতার কাছে। এ কেমন নেতা! দূরে নিজে নিরাপদে থেকে হুকুম চালায়। আর এরা জানি না কী ধরনের কর্মী- মানুষ খুন করে। মানুষ খুন করলে এদের কেউ ছাড়বে না। সাধারণ মানুষকে বলবো এই সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ করতে হবে।

গাজায় ইসরায়েলের হামলার মতো বাংলাদেশেও বিএনপি হাসপাতাল, পুলিশ ও সাধারণ মানুষের উপর হামলা করেছে বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে গাজায় যে ঘটনা ঘটাচ্ছে। আজকে বিএনপির যে চরিত্র যেভাবে তারা আক্রমণ করে। পুলিশকে আক্রমণ, হাসপাতালে আক্রমণ-ঠিক যেমন ফিলিস্তিনের ওপর। হাসপাতালে বোম্বিং হচ্ছে। নারী-শিশুসহ তাদের মারা হচ্ছে-ওই একই চরিত্র। বিএনপি বাংলাদেশের জন্য আজরাইল হয়ে এসে। ওইদিকে ইসরাইল করছে, এরা এখন বাংলাদেশের জন্য আজরাইল হয়ে এসেছে। তারা নির্বাচন করবে না, কারণ তারা জানে ভোট পাবে না, সমর্থন পাবে না। জনগণের উপর আস্থা নেই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অগ্নিসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে। একটি মানুষ মারা যাওয়ার পর কী ঘটনা হয় সেটা তিন-চারদিন আগে আমরা দেখেছি। একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেছে। কিন্তু আমাদের দেশে যখন দেখি রাজনীতির নামে, নির্বাচন ঠেকানোর নামে অগ্নিসন্ত্রাস ঘটানো হয়, মানুষ পুড়িয়ে মারা হয়, জাতীয় সম্পদ নষ্ট করা হয়। এতটুকু মনুষ্যত্ব ও দেশপ্রেম থাকলে কেউ এটা করতে পারে?

সংসদ নেতা বলেন, সুষ্ঠুভাবে সংসদ চলবে। গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকবে। অপ্রতিরোধ্য গতিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। দেশে-বিদেশে নালিশ করে কোনো ফায়দা হবে না। বিদেশিরা কী বললো সেটা দিয়েও চলবে না। সব দেশের নির্বাচন আমাদের দেখা আছে। এইবারের মতো সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন দেশে আর হয়নি।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনে একটি রাজনৈতিক দলসহ তাদের জোট অংশগ্রহণ করেনি। তবে ২৮টি দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। স্বতঃস্ফূর্তভাবে এদেশের মানুষ প্রার্থী হয়। আমরা নমিনেশন দেওয়া সত্ত্বেও প্রার্থিতা উন্মুক্ত করে দিয়েছিলাম। নির্বাচনে এক হাজার ৯৭০ জন প্রার্থী ছিল। স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিল ৪৩৬ জন। এই নির্বাচন অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। নির্বাচনে নারী ও তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।

তিনি বলেন, আমরা গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখা ও দেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে রাজনীতি করে যাচ্ছি। এদেশের মানুষ সুফল পেয়েছে বলেই আমাদের ওপর বার বার আস্থা ও বিশ্বাস রেখেছে। আমাদের বার বার নির্বাচিত করে তাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছে। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় কেউ বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।

সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করার জন্য নির্বাচন কমিশন ও দেশের জনগণসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, জনগণের কাছে আমরা ওয়াদা দিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন করা। পাঁচ বছর মেয়াদী এ সরকারের সময় ওয়াদা বাস্তবায়ন করবো- এটাই আমাদের একমাত্র প্রতিজ্ঞা।

শেখ হাসিনা বলেন, গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের উন্নয়ন হয়। এটা তো বাস্তব সত্য। তা প্রমাণ করেছি। ১৫ বছরে এটা প্রমাণ হয়েছে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারা আছে বলেই দেশটা এগিয়ে যাচ্ছে। আজকে আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। আমাদের লক্ষ্য দেশকে উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। এ লক্ষ্য নিয়ে আওয়ামী লীগ কাজ করছে।

স্বতন্ত্রদের চোটপাট বেশি

সংসদে কাজে সহযোগিতা করার জন্য সরকারি দল, বিরোধী দলীয় ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। টেবিল চাপড়িয়ে আইনপ্রণেতারা প্রধানমন্ত্রীকে অভিবাদন জানান। স্বতন্ত্র সদস্যদের টেবিল চাপড়ানোর শব্দ বেশি জোরে হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীর হাসির ছলে বলেন, মনে হচ্ছে স্বতন্ত্রদের চোটপাট বেশি।

মন্ত্রীদের দেয়া নির্দেশনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে উপকারিতার ক্ষেত্রে দেশের জনগণের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। বিদেশি ঋণ ও সহায়তা গ্রহণের ক্ষেত্রে যথাযথভাবে সম্ভাব্যতা যাচাই করতে হবে। কেউ আমাদের এখানে এসে বললো, আমরা সেখানে ঝাঁপিয়ে পড়বো না। আমরা বিবেচনা করে নেবো। সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, সামাজিক নিরাপত্তার উপকারভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে সত্যিকার যারা প্রাপ্য তাদের খুঁজে বের করা হবে।

সরকারপ্রধান বলেন, আমরা রপ্তানি বহুমুখীকরণ করবো। আমরা প্রতিটি অ্যাম্বাসিকে নির্দেশ দিয়েছি- এখনকার ডিপ্লোম্যাসি হবে ইকোনমিক্যাল ডিপলোমেসি। শুধুমাত্র পলিটিক্যাল নয়, কোন দেশে আমরা কী রপ্তানি করতে পারি, নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন ও নতুন নতুন বাজার খুঁজে বের করা আমাদের লক্ষ্য। কৃষিজাত পণ্যের শিল্প বিকশিত হওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ দৃষ্টি দেবো।

’৭৫ পরবর্তী নির্বাচনগুলোর ঘটনা তুলে ধরে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, কেন নির্বাচনে বাধা দেয়া? ৭৫-এর পর প্রতিটি নির্বাচন তো আমরা দেখেছি। সেই হ্যাঁ/না ভোট। নির্বাচন কমিশনে তালা দিয়ে ভোটের রেজাল্টই নেই। তিন-চারদিন পর রেজাল্ট। আমাদের বিরোধী দলীয় নেতা দেখালেন- তিনি কিন্তু দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ নির্বাচনের রেজাল্ট দেখাননি। দ্বিতীয় নির্বাচন কীভাবে করেছিলো। তৃতীয় নির্বাচনে বিরোধী দলীয় নেতার ভাই (এরশাদ) তখন আরেক মিলিটারি ডিকটেটর ক্ষমতায়। এক মিলিটারি ডিকটেটর ভোট চুরির রাস্তা দেখিয়ে গেলো, ক্ষমতার দখলটা দেখিয়ে গেলো, তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করে আরেকজন...। দুজনেরই একই খেলা। সেনাপ্রধান হলেন। একদিন ক্ষমতা দখল করে রাষ্ট্রপ্রধান হয়ে গেলেন। একই সঙ্গে দুই রূপ। রাষ্ট্রপতির পদ নিয়ে ভোট চুরি। খুশি হতাম বিরোধী দলীয় নেতা যদি তার ভাইয়ের ১৯৮৮-এর নির্বাচনটা দেখাতেন। সেই নির্বাচনটা ছিল শুভঙ্করের ফাঁকি। এরশাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করলো খালেদা জিয়া ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে। অবশ্য তিনি দেখিয়েছেন ২১ শতাংশ ভোট। ২১ শতাংশ কীভাবে হলো। সেদিন তো কোন ভোটার ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেনি। হোন্ডা-গুন্ডা দিয়ে নির্বাচন ঠান্ডা। এরশাদের নির্বাচন টেকেনি। খালেদা জিয়ার নির্বাচনও টেকেনি। জনগণের রুদ্ররোষে ভোট চুরির অপরাধে বিদায় নিতে হয়েছিলো।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর অধিবেশনের সমাপনী সংক্রান্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ সংসদের বৈঠকে পড়ে শোনান স্পিকার। তিনি জানান, ৩০ জানুয়ারি শুরু হওয়া এই অধিবেশনে মোট কার্যদিবস ছিল ২২ দিন। প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তরের জন্য ৮৬টি প্রশ্ন জমা পড়ে। এরমধ্যে ৪৫টি প্রশ্নের উত্তর দেন প্রধানমন্ত্রী। মন্ত্রীদের জন্য প্রশ্ন জমা পড়ে এক হাজার ৮২২টি। এরমধ্যে এক হাজার ৮০টি প্রশ্নের উত্তর মন্ত্রীরা দিয়েছেন।

৭১ বিধিতে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নোটিশ জমা পড়েছে ২৫০টি। এরমধ্যে ১৫টি নোটিশ আলোচনার জন্য গৃহীত হয়েছে। এরমধ্যে ৯টি নোটিশ আলোচিত হয়েছে। বিল পাশ হয়েছে মাত্র দুটি। অধিবেশনের প্রথম দিনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভাষণ দেন। এই ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী। পরে এই ভাষণের ওপর সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যরা আলোচনা করেন। সবমিলিয়ে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা প্রায় ৪০ ঘণ্টা অনুষ্ঠিত হয়।

শেষ দিনের আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও অংশ নেন বিরোধী দলীয় নেতা জি এম কাদের, সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, চিফ হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী অংশ নেন।

কেএসএইচ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) পদে সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন মো. রাশেদ খাঁন। 
সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আইন সংশোধনের বিষয়টা আইনগত ব্যাপার। আমরা প্রস্তাব পাঠাবো স্থানীয় সরকার বিভাগকে। স্থানীয় সরকার বিভাগ যদি আমাদের প্রস্তাব উপযুক্ত মনে করেন তাহলে তারা সেভাবে ব্যবস্থা নিবেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও যুদ্ধ উত্তেজনা প্রশমনে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রকে আবার কূটনৈতিক আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান ও কাতার। 
ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিট (এনটিটি)- এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে আটক হয়েছেন লোকসভার বিরোধীদলীয়...
রোববার নিউ জার্সির রাতে লাল জার্সিতে দ্বিতীয় নক্ষত্র খোদাই করে বিশ্বজয়ের নতুন ইতিহাস লিখেছে স্পেন। তবে আর্জেন্টিনাকে অতিরিক্ত সময়ের ১-০ গোলে হারিয়ে ঐতিহাসিক বিশ্বজয়ের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে ঠিক কী ঘটেছিল...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর