মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘর্ষের জেরে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির ১৭৯ জন সদস্য এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে তারা বাংলাদেশে ঢোকে।
বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ২৯ জন বিজিপির বাংলাদেশে আসার খবর পাওয়া যায়। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই সংখ্যাও বাড়ছে।
দুপুরে বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ১১ বিজিবির অধীন জামছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে মিয়ানমারের বিজিপির অংথাপায়া ক্যাম্প থেকে ২৯ জন এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। অস্ত্র জমা নিয়ে বিজিবি তাদের হেফাজতে রেখেছে।

নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান তসলিম ইকবাল চৌধুরী জানান, মিয়ানমারের ২৯ জন বিজিপি সদস্য বিচ্ছিন্ন হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউপির সীমান্তবর্তী নোম্যান্সল্যান্ডে লুকিয়ে ছিলো। সেখানে কয়েক দিন খাদ্য সংকটে থাকার পর তারা সোমবার জামছড়ি বিওপি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাখাইন রাজ্যে যুদ্ধের মধ্যে পালিয়ে আসা মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যসহ ৩৩০ জনকে দেশটিতে ফেরত পাঠানো হয়।
তাদের মধ্যে মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ-বিজিপি ৩০২ জন, তাদের পরিবারের চার সদস্য, দুজন সেনা সদস্য, ১৮ জন ইমিগ্রেশন সদস্য এবং চারজন বেসামরিক নাগরিক ছিলেন।
আবারও বাংলাদেশে মিয়ানমারের ২৯ সীমান্তরক্ষী