পাঠ্যপুস্তকে পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন ও জীববৈচিত্রের বিষয়গুলো যুক্ত করা হচ্ছে। এ নিয়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ বন ও জলবায়ু বিষয়ক মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী।
তিনি বলেছেন, পরিবেশ সুরক্ষায় প্লাস্টিক শতভাগ বর্জন করতে হবে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ঠিক করতে না পারলে দুর্যোগ মোকাবেলা দিন দিন আরও কঠিন হয়ে উঠবে।
রাজধানীতে প্রতিদিন ১৭৫ কোটি তরল বর্জ্য বর্জ্য উৎপাদন হয়। যেখানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আওতায় আছে মাত্র ৩৫ কোটি লিটার। বাকি সবই চলে যাচ্ছে খাল, বিল, নদ-নদী, জলাশয় ও কৃষিজমিতে। দিনকে দিন যা পরিবেশের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনছে।
উত্তরের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফিদা হাসান জানান, দ্রুত বর্জ্য থেকে বায়ো গ্যাস উৎপাদন শুরু হবে। এতে পরিবেশ কিছুটা হলেও সুরক্ষিত হবে।
তবে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃতপক্ষে কী পরিমাণ বর্জ্য সংগ্রহ হচ্ছে তার সঠিক হিসেব দরকার। রাজধানীতে বাসাবাড়ির বর্জ্য থেকে গ্যাস উৎপাদন কোনোভাবেই সম্ভব না।
পরিবেশ বন ও জলবায়ু বিষয়কমন্ত্রী বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সাথে, শব্দ আর বায়ু দূষণ মোকাবেলাও বড় চ্যালেঞ্জ। তবে নাগরিকদের সচেতন করতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্য বইয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়গুলো যুক্ত করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা এরইমধ্যে উদ্যোগ নিয়েছি। শুরুতে তৃতীয় শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের পরিবেশ, বন এবং জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে শেখাবো।
প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করতে হলে সরকারের সাথে মানুষকেও এগিয়ে আসতে হবে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘সরকার এককভাবে কিছু করতে পারবে না, সবাইকে নিয়ে কাজ করতে হবে।’
নির্বাচনের আগে যারা বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এমন ৪৬ জন সংসদ সদস্যকে নিয়ে সংসদে একটি ককাস গঠনের আহ্বানও জানান মন্ত্রী।
খোকনকে অব্যাহতির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার 