ট্রেনে স্বস্তিতেই বাড়ি যাচ্ছে মানুষ। যাত্রার চতুর্থ দিনেও কোন সূচি বিপর্যয় দেখা যায়নি। বরাবরের মতো উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলোতে যাত্রীদের সর্বোচ্চ ভিড় দেখা যাচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ বলছে, ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে সীমিত সামর্থ্য নিয়েই তারা কাজ করছেন।
ঈদযাত্রায় সময়মত বাড়ি পৌঁছানোর নিশ্চিত বাহন ট্রেন। পথ যতো দূরেই হোক ট্রেনে চেপে বসতে পারলেই দুশ্চিন্তার অবসান। তাই সিট থাকুক আর নাই থাকুক কম আয়ের মানুষের সবচেয়ে বেশি ভিড় রেলস্টেশনগুলোতে।
এবার সাপ্তাহিক ছুটির সাথে ঈদের ছুটি যুক্ত হওয়া সময় পাওয়া গেছে বেশি। ফলে যাত্রীদের মাত্রাতিরিক্ত চাপ ছিলো না ট্রেনে। উত্তরবঙ্গের ট্রেনে মানুষের ভিড় ছিলো বেশি।

যাত্রীরা বলছেন, বাসের চেয়ে অনেক কম সময় লাগে ট্রেনে। এছাড়া, ভোগান্তিও কমে ট্রেন যাত্রায়।
প্রায় প্রতিটি ট্রেনই সময় মেনে ছেড়েছে। তাই ঈদের আনন্দ ঢাকা ছেড়ে যাওয়া মানুষের চোখে মুখে।
কর্তৃপক্ষ বলছে, ট্রেনের ছাদে যেন যাত্রীরা না উঠতে পারে সেজন্য সচেষ্ট ছিলেন তারা। তারপরও কিছু কিছু ট্রেনের ক্ষেত্রে যাত্রীদের নিয়ন্ত্রণ করতে বেশ পরিশ্রম করতে হয়েছে রেল পুলিশকে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা বিভাগের বাণিজ্যিক কর্মকর্তা শাহ আলম কিরণ শিশির বলেন, মোট আসনের বিপরীতে ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট আমরা দিচ্ছি। তিন স্তর বিশিষ্ট টিকিট চেকিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে। তাই, টিকিট ছাড়া যাওয়ার উপায় নেই।
ঈদের আগের দিন ট্রেনে যাত্রীর চাপ খানিকটা কমে যাবে, তাই যাত্রা আরও নিরাপদ হবে বলেই মনে করছে কর্তৃপক্ষের।
বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পাড়ে যানজট, ভোগান্তি