সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের পরিপত্রকে অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছে, সেই রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল বা আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।
এই আবেদনে হাইকোর্টের রায় বাতিল চাওয়া হয়েছে। এদিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোটা সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের যে দাবি করেছে আন্দোলনকারীরা, তা অযৌক্তিক বলে উল্লেখ করেছেন শিক্ষার্থীদের আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক।
সরকারি চাকরিতে কোটা সংরক্ষণ বিষয়ে হাইকোর্টের দেয়া পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের দুদিনের মধ্যে মঙ্গলবার লিভ টু আপিল করলো রাষ্ট্রপক্ষ।
আপিলের অনুমতি চেয়ে করা এ আবেদনে, হাইকোর্টের রায় বাতিলের আর্জি জানানো হয়েছে। দুপুরে আপিল বিভাগে এই লিভ টু আপিল দায়ের করা হয়।
এর আগে গত ১৪ জুলাই সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাসহ কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করার বিষয়ে হাইকোর্টের দেয়া ২৭ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়।
রায়ে মুক্তিযোদ্ধাসহ কোটা পুনর্বহালের নির্দেশ দেয়া হয়। তবে প্রয়োজনে কোটা পরিবর্তন ও এর হার কমানো বা বাড়ানোর কথাও উল্লেখ করা হয়।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ২০২৮ কোটা বাতিল করে পরিপত্র জারি করে সরকার। সম্প্রতি হাইকোর্ট সেই পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করলে শিক্ষার্থীরা ক্লাস-পরীক্ষা বাদ দিয়ে আবার রাজপথে নামে। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আগামী সাত আগস্ট আপিল বিভাগে শুনানি হবে।
এদিকে শিক্ষার্থীদের রাজাকার স্লোগান দেয়ার পেছনে কারও উস্কানি আছে বলে উল্লেখ করে এর নিন্দা জানিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি।
শিক্ষার্থীদের আইনজীবী ও সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক শাহ মঞ্জুরুল হক বলছেন, আন্দোলনকারীরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোটা বিষয়ে যে আইনের প্রণয়নের দাবি করছে এটি অযৌক্তিক। তিনি বলেন, স্লোগান শুনলেই বোঝা যায় স্বাধীনতাবিরোধীরা এতে ইন্ধন দিচ্ছে।
ঢাবিতে যেতে চাইবো না, দেখলেই মনে হবে সেই রাজাকার: জাফর ইকবাল
সংঘর্ষে চট্টগ্রামে দুই জনের মৃত্যু