পুলিশের সাবেক প্রভাবশালী কর্মকর্তা আছাদুজ্জামান মিয়ার ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করার দায়ে গাজীপুর মহানগর পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার জিসানুল হককে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ আবদুল মোমেন সই করা এক প্রজ্ঞাপনে 'জিসানুল হককে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার আদেশটি বাংলাদেশ সার্ভিস রুলস মোতাবেক প্রত্যাহার করা হলো' বলে জানানো হয়েছে।
জিসান বরখাস্ত থাকার সময় কাজে ছিলেন বলেই গণ্য হবে এবং বিধি অনুযায়ী বকেয়া বেতন পাবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
গত ১৯ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ জিসানুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করার সুপারিশ করে একটি চিঠি দেয় পুলিশ সদরদপ্তর। এতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশও করা হয়।
এরপরই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মো. জাহাংগীর আলমের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
গত সরকারের সময় আছাদুজ্জামান মিয়া ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী কর্মকর্তা। তিনি ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ডিএমপি কমিশনার ছিলেন।
পরে তাকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত সেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে নিয়োগ দেয় হয়। সেখানে তিনি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছিলেন।
এদিকে সরকার পতনের আগেই আছাদুজ্জামান মিয়ার অবৈধ সম্পদ আছে কিনা, তা অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুর্নীতি দমন কমিশন।
ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জিএমপির সিটিএসবি অ্যান্ড প্রটেকশন বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার জিসানুল হকের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় তাকে সরকারি চাকুরি হতে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।
আসাদুজ্জামান মিয়ার তথ্য ফাঁস, পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত