ঐকমত্য কমিশনের কাজের কারণে নির্বাচন আয়োজনে বাধা হবে না বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ও সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি বলেছেন, অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন সম্ভব। গণপরিষদ এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনও একসাথে সম্ভব।
সোমবার (১০ মার্চ) সকালে সংসদ ভবনের এলডি হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন আলী রীয়াজ।
তিনি জানান, আলোচনার মাধ্যমে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব। রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক আলোচনা হবে।
ছয় সংস্কার কমিশনের সুপারিশের বিষয়ে ১৩ মার্চের মধ্যে রাজনৈতিক দল ও জোটের মতামত জানাতে হবে বলেও উল্লেখ করেন আলী রীয়াজ। তিনি বলেন, মতামত পাওয়ার পর শুরু হবে আলোচনা। ঐকমত্যে পৌঁছে তৈরি হবে ‘জাতীয় সনদ’।
আলী রীয়াজ জানান, সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত সুপারিশ ৭০টি, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার সুপারিশ ২৭টি, বিচার বিভাগ সংক্রান্ত সুপারিশ ২৩টি, জনপ্রশাসন সংক্রান্ত সুপারিশ ২৬টি এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সংক্রান্ত ২০টি সুপারিশ ৩৪ রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হয়েছে। তবে পুলিশ সংস্কার কমিশন মনে করে তাদের সুপারিশগুলো প্রশাসনিক ব্যবস্থা মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।
আলী রীয়াজ বলেন, রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলোর ব্যাপারে নাগরিকদের মতামত জানতে চাওয়া হবে।
নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের দক্ষতা বাড়াতে যুক্তরাজ্যের সহায়তা চেয়েছে ইসি