নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ অনুযায়ী দেশে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড। এমন কঠোর আইন সত্ত্বেও দেশে ধর্ষণের ঘটনা কেন বাড়ছে? সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিলম্বিত বিচার, আইনের সঠিক প্রয়োগ না হওয়া, ক্ষমতার প্রভাবে কিছু ক্ষেত্রে মামলা না হওয়াই এর কারণ। সেই সাথে নারীর প্রতি পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সামাজিকভাবে নারীকে দুর্বল ও অধীন হিসেবে দেখার মানসিকতাও ধর্ষণের কারণ।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য বলছে চলতি বছরের প্রথম দুমাসে ধর্ষণের শিকার ৯৬ জন। ২০২৪ সালে ধর্ষণ ও দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ৪০১ জন। ২৩ সালে এই সংখ্যা ছিলো ৬৩৯ জন। আর ২০২ সালে ৯৮৭ জন ধর্ষণের শিকার হন।
বিলম্বিত বিচার, আইনের সঠিক প্রয়োগ না হওয়া এবং ধর্ষণের বিচার হয় না; এমন ধারণা থেকেই এই অপরাধ বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাই এই অপরাধকে সম্ভ্রমহানি, শ্লীলতাহানি বা ইজ্জত লুটে নেয়ার মতো শব্দে আড়াল না করে; ধর্ষণ হিসেবেই আখ্যায়িত করতে বলছেন সমাজবিজ্ঞানীরা।
ধর্ষকের রাজনৈতিক পরিচয় বা স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষমতার প্রভাবকেও এই অপরাধ বাড়ার কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ, আইন, বিচার ও প্রশাসন যাতে কিছুতেই অপরাধীর আশ্রয়স্থল হয়ে না ওঠে সেই আহবান জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
নারী যত এগিয়ে যায় পুরুষ ততো হিংস্র হয়; অতীতের এই প্রবাদ পরিস্থিতির সত্যতা তুলে ধরছে বলে মনে করছেন মহিলা পরিষদের সভাপতি ড. ফওজিয়া মোসলেম।
মামলার দীর্ঘসূত্রতা দূর করে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক সাজাকেই পরিস্থিতি উন্নয়নের অন্যতম উপায় বলে মনে করছেন তারা।
পটুয়াখালীতে জুলাই শহীদের সন্তানকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
গর্ত থেকে বের করে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন নয়: মুশফিকুল ফজল আনসারী