কঠোর আইন থাকা সত্ত্বেও ধর্ষণ বেড়ে গেল কেন? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা

আপডেট : ২১ মার্চ ২০২৫, ০৭:২৮ পিএম

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ অনুযায়ী দেশে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড। এমন কঠোর আইন সত্ত্বেও দেশে ধর্ষণের ঘটনা কেন বাড়ছে? সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিলম্বিত বিচার, আইনের সঠিক প্রয়োগ না হওয়া, ক্ষমতার প্রভাবে কিছু ক্ষেত্রে মামলা না হওয়াই এর কারণ। সেই সাথে নারীর প্রতি পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং সামাজিকভাবে নারীকে দুর্বল ও অধীন হিসেবে দেখার মানসিকতাও ধর্ষণের কারণ। 

আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য বলছে চলতি বছরের প্রথম দুমাসে ধর্ষণের শিকার ৯৬ জন। ২০২৪ সালে ধর্ষণ ও দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ৪০১ জন। ২৩ সালে এই সংখ্যা ছিলো ৬৩৯ জন। আর ২০২ সালে ৯৮৭ জন ধর্ষণের শিকার হন।  

বিলম্বিত বিচার, আইনের সঠিক প্রয়োগ না হওয়া এবং ধর্ষণের বিচার হয় না; এমন ধারণা থেকেই এই অপরাধ বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাই এই অপরাধকে সম্ভ্রমহানি, শ্লীলতাহানি বা ইজ্জত লুটে নেয়ার মতো শব্দে আড়াল না করে; ধর্ষণ হিসেবেই আখ্যায়িত করতে বলছেন সমাজবিজ্ঞানীরা।

ধর্ষকের রাজনৈতিক পরিচয় বা স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষমতার প্রভাবকেও এই অপরাধ বাড়ার কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ, আইন, বিচার ও প্রশাসন যাতে কিছুতেই অপরাধীর আশ্রয়স্থল হয়ে না ওঠে সেই আহবান জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। 

নারী যত এগিয়ে যায় পুরুষ ততো হিংস্র হয়; অতীতের এই প্রবাদ পরিস্থিতির সত্যতা তুলে ধরছে বলে মনে করছেন মহিলা পরিষদের সভাপতি ড. ফওজিয়া মোসলেম। 

মামলার দীর্ঘসূত্রতা দূর করে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক সাজাকেই পরিস্থিতি উন্নয়নের অন্যতম উপায় বলে মনে করছেন তারা।  

আরবিএস
আলোচিত রামিসা হত্যা মামলাসহ অন্য সব নারী ও শিশু নির্যাতন এবং ধর্ষণ ও হত্যা মামলাগুলোর বিচার হাইকোর্টে বিরতিহীনভাবে চলবে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। একই সঙ্গে হাইকোর্টে...
নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলার শুনানির জন্য আগামী রোববার (১৪ জুন) থেকে হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চে বিচারকাজ হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিচারে আত্মপক্ষ সমর্থনের দিনে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে দ্বিমুখী বক্তব্য দিয়েছেন মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা। তিনি প্রথমে নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও পরে দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চান।
নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে সরকার শিগগিরই দেশব্যাপী একটি সচেতনতামূলক অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে। এই সামাজিক ব্যাধি দমনে কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধও গড়ে তোলা অপরিহার্য বলে মনে করছে...
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের মহাকাব্যিক জয় শুধু একটি ঐতিহাসিক ট্রফি অর্জন আর রূপকথার গল্প নয়, এটি ছিল ফুটবলের এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজংশে ব্যাটন হস্তান্তরের স্মারক। ফুটবল...
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইনজুরি টাইমে ফেরান তোরেসের অবিশ্বাস্য গোল স্প্যানিশ ফুটবলে নতুন ইতিহাস লিখেছে। ২০১০ সালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশকে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর