জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ ঘাটতি মেটাতে ‘কুইক রেন্টাল’ বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার বিশেষ আইনের মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়াতে জাতীয় সংসদে বিল উত্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ‘বিদ্যুৎ ও জ্বলানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) (সংশোধন) বিল-২০২১’ সংসদে উত্থাপন করেন।
বিলটি সংশোধনের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী সংসদে বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা-২০০৮ অনুযায়ী নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস থেকে দেশের মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ১০ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করার লক্ষ্যে এ খাতে দ্রুত অধিক সংখ্যক প্রকল্প নেওয়া প্রয়োজন।
মন্ত্রী আরও বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্য আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চলমান অবকাঠামোগত উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখা অপরিহার্য।
আরও পড়ুন: জব্দ করা মালামাল ফেরত চেয়েছেন পরীমনি
বিদ্যুৎ সঙ্কট দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে ২০০৯ সালে সরকার বেশ কয়েকটি ভাড়া ও দ্রুত ‘কুইক রেন্টাল’ বা ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের অনুমোদন দেয়। পরে এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রকে বৈধতা দিতে ২০১০ সালে প্রণয়ন করা হয় ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন’। শুরুতে দুই বছরের জন্য এ আইন করা হলেও পরে কয়েক দফায় তা বাড়ানো হয়।
সর্বশেষ তিন বছর মেয়াদ বৃদ্ধি করে ২০২১ সাল পর্যন্ত করা হয়। সেই মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর বুধবার তা সংসদে তোলা হলো।
ভাড়াভিত্তিক এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র চালুর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ফলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে আসে গতিশীলতা। তবে এসব কেন্দ্র থেকে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কিনতে সরকারকে অনেক টাকা ভর্তুকি দিতে হয়।
একাত্তর/আরএইচ
