বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ছয় দফা থেকে শুরু করে অসহযোগ আন্দোলনসহ সবক্ষেত্রেই বঙ্গবন্ধুর তার রাজনৈতিক সহচর তাজউদ্দীন আহমদের সঙ্গে পরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ব্যারিস্টার এম আমীর উল ইসলাম।
শনিবার (৩০ জুলাই) ‘আলোকচিত্রে তাজউদ্দীন আহমদ’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন ও আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান, তাজউদ্দীন আহমদের ছেলে তানজিম আহমদ সোহেল তাজসহ তাউদ্দীনের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন।

বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী অন্যতম জাতীয় নেতা তাজউদ্দীন আহমদের প্রায় তিন শতাধিক ছবি নিয়ে এই বই প্রকাশ করেছে সেন্টার ফর তাজউদ্দিন আহমদ রিসার্চ অ্যান্ড অ্যাক্টিভিজম (সিতারা)।
ব্যারিস্টার এম আমীর উল ইসলাম বলেন, তাজউদ্দীন আহমদ সারাজীবন বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের প্রতি অবিচল ছিলেন। আর সে কারণেই তিনি বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে সফল নেতৃত্ব দিতে পেরেছেন। এদেশের মাটি ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার থেকেই স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে সাম্য ও মানবিক মর্যাদার কথা উল্লেখ করেছেন। তাজউদ্দীনের মতো জাতীয় নেতাদের ভূমিকার আরও বেশি মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে।
সাবেক উপাচার্য আরেফিন সিদ্দিক বলেন, মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীনের নানা কৌশলে ৯ মাসে আমরা মুক্তিযুদ্ধ শেষ করতে পেরেছি। তাজউদ্দীন ছিলেন বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহকর্মী। তিনি জানতেন বঙ্গবন্ধু কী চান, কী তার অভিলাষ।

আরও পড়ুন: মাংকিপক্স নিয়ে সতর্ক করলেন বিএসএমএমইউ উপাচার্য
ড. মিজানুর রহমান বলেন, তাজউদ্দীন একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গড়ে উঠে ছিলেন। তাই তার পক্ষে স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ হয়েছিল।
ছেলে সোহেল তাজ বলেন, এই আলোকচিত্রগুলোর মাধ্যমে তাজউদ্দীন আমাদের দিক প্রদর্শন করছেন। আমরা যদি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে চাই তাহলে আমাদের অতীতকে সম্মান জানাতে হবে।
একাত্তর/এসি
