চলতি বছর কোনো পাইলটিং বা পরীক্ষামূলক কার্যক্রম ছাড়াই ২০২৩ সালে, নতুন পাঠ্যক্রমের বই পাবে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা।
এদিকে, বছরের ৯ মাসেও বই ছাপার কাজ শুরু হয়নি। তারপরও জানুয়ারিতে শিক্ষার্থীরা নতুন বই পাবে জানালেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব।
অনেক জল্পনা আর সময় পেছানোর পর সেপ্টেম্বরও শুরু হয়নি ২০২৩ সালের প্রথম শ্রেনীর নতুন কারিকুলামের পাইলটিং বা পরীক্ষামূলক কার্যক্রম।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের বলছেন, পাইলটিং না হলেও ২০২৩ সালেই নতুন পাঠ্যসূচির বই পাবে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু, পাইলটিং ছাড়াই কেনো বই দেয়া হবে, তার কারণটা স্পষ্ট হলো না।
কাগজসহ ছাপার খরচ বাড়ায় এবার বইয়ের দর নিয়ে জটিলতা চলছে। এখনো শুরু হয়নি বই ছাপার কাজ। তাহলে জানুয়ারীতে কি বই পাবে প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থী?
এমন প্রশ্নের উত্তরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয়ের জেষ্ঠ সচিব আমিনুল ইসলাম খান বলেন, সময়মতো নতুন বছরের প্রথম দিনেই বই পাবে সারাদেশের শিক্ষার্থীরা।
গণমাধ্যমে খবর এসেছে, অনেক প্রতিষ্ঠানেই গুটি কয় শিক্ষার্থীর জন্য আছে অনেক শিক্ষক। আবার কোথাও ছাত্র অনুপাতে শিক্ষকের সংখ্যা কম।
তাই এক কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে ৫০ জনেরও কম শিক্ষার্থী থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষকদের সমন্বয় করা হতে পারে। আর এমন প্রতিষ্ঠান আছে ১২৬৬টি।
আন্তজার্তিক স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ স্বাক্ষরতার অর্জনের লক্ষ্যও ঠিক করা হয়।
এ সময় সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া অনলাইনে হবে বলে জানান, গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন।
এর আগে সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক বদলি কার্যক্রম অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সম্পন্ন করা হবে ঘোষণা দিয়েছিল সরকার।
সে অনুযায়ী সফটওয়্যারে শিক্ষক বদলি কার্যক্রমের পাইলটিং কাজ শেষ হয়েছে। আগস্ট থেকে শিক্ষক বদলির আবেদন শুরু হবার কথা থাকলেও এক মাস পিছিয়ে সেপ্টেম্বরে নেয়া হয়।
একাত্তর/এআর
