কক্সবাজারের মেরিন ইকো রিসোর্টের মালিক কাজী জাফর ছাদেক রাজুসহ (৩৮) পাঁচ সদস্যকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। তারা ইয়াবা সরবরাহ করতে ঢাকায় এসেছিলেন বলে জানা যায়।
বাকি আটকেরা হলেন- মো. আরাফাত আবেদীন (৩৮), তাহরিম ইসলাম রবিন (৪৩), আহম্মেদ সাবাব (২৬), সাদি রহমান(২৬)। অভিযানে তাদের কাছ থেকে ৮ হাজার ৮১২টি ইয়াবা জব্দ করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
বুধবার বিকালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ উপ অঞ্চলের খিলগাঁও সার্কেলের পরিদর্শক মো. আব্দুর রহিম সাংবাদিকদের বিষয়টি জানিয়েছেন।
তিনি জানান, মঙ্গলবার ভোর থেকে বুধবার দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর গুলশান, বনানী, ক্যান্টনমেন্ট এবং রামপুরা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই পাঁচজনকে আটক করা হয়। কাজী জাফর সাদেক রাজু কক্সবাজারভিত্তিক মাদক চোরাচালানের অন্যতম হোতা। তাকে তল্লাশি করে ৬ হাজার ইয়াবা জব্দ করা হয়।
ডিএনসির এ কর্মকর্তা বলেন, মঙ্গলবার ভোরে ১১২টি ইয়াবাসহ আহম্মেদ সাবাব ও সাদি রহমান নামে দুইজনকে বনানী এলাকা থেকে আটক করা হয়। পরে তাদের তথ্য অনুযায়ী তাহরিম ইসলাম রবিন নামে একজনকে গুলশান এলাকা থেকে ২০০টি ইয়াবাসহ আটক করা হয়।
তাদের জিজ্ঞাসাবাদে কক্সবাজার ভিত্তিক একটি মাদক সিন্ডিকেটের তথ্য পাওয়া যায়। তাদের প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে মো. আরাফাত আবেদীন নামে একজনকে ২ হাজার ৫০০ ইয়াবাসহ আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রামপুরা এলাকা থেকে মাদক চোরাচালান চক্রের হোতা কাজী জাফর ছাদেক রাজুকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৬ হাজার ইয়াবা জব্দ করা হয়।
ডিএনসির ওই কর্মকর্তা বলেন, কাজী জাফর ছাদেক রাজু একজন পেশাদার মাদক কারবারি। তার নামে কক্সবাজার থানায় ২টি মামলা আছে। তিনি কক্সবাজারের কলাতলীতে মেরিন ইকো রিসোর্টের মালিক। দীর্ঘদিন ধরে নিজে এবং তার সহযোগীদের মাধ্যমে কক্সবাজার এলাকা থেকে বিমান পথে ইয়াবা ঢাকায় এনে তার এজেন্টদের মধ্যে সরবরাহ করত।
আটকদের বিরুদ্ধে বনানী, গুলশান, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট ও রামপুরা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক পৃথক মামল করা হয়েছে।
একাত্তর/এআর
