রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় বুয়েটের অধ্যাপক ড. নিখিল রঞ্জন ধর, দুই ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ১৬ জনের বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিট ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রেজাউল করিম চৌধুরী এ মামলার অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
এর আগে গত ২০ মার্চ বুয়েট শিক্ষক নিখিল রঞ্জন ধর আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে তা নাকচ করেন আদালত।
এ মামলার চার্জশিটভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন- পরীক্ষার্থী রাইসুল ইসলাম ওরফে স্বপন, জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা শামসুল হক ওরফে শ্যামল ও আবদুল্লাহ আল জাবের, আহ্ছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের টেকনিশিয়ান মুক্তারুজ্জামান ওরফে রয়েল, পিয়ন দেলোয়ার হোসেন, কর্মী রবিউল আউয়াল, পারভেজ মিয়া, মিজানুর রহমান মিজান, মোবিন উদ্দিন, মোস্তাফিজুর রহমান, সোহেল রানা, পরীক্ষার্থী রাশেদ আহমেদ ওরফে বাবলু, জাহাঙ্গীর আলম জাহিদ, রবিউল ইসলাম ওরফে রবি এবং রূপালী ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানে আলম ওরফে মিলন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির আওতায় ২০২১ সালের ছয় নভেম্বর রাষ্ট্রায়ত্ত পাঁচ ব্যাংকে অফিসার (ক্যাশ) নিয়োগের প্রাথমিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তদন্তে নামে।
আরও পড়ুন: নতুন জঙ্গি সংগঠনের আমিরসহ গ্রেপ্তার তিন
মামলার পর গত বছরের নভেম্বরে ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় ডিবি পুলিশ। তবে মামলার অভিযোগপত্র থেকে বুয়েটের অধ্যাপক নিখিল রঞ্জন ধরের নাম কেন এবং কীভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে, এ বিষয়ে গত ২৫ জানুয়ারি তদন্ত কর্মকর্তাকে কারণ দর্শাতে বলেন আদালত।
এরপর গত ২৯ জানুয়ারি বুয়েটের অধ্যাপক নিখিল রঞ্জনসহ ১৬ জনকে আসামি করে আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করে গোয়েন্দা পুলিশ।
একাত্তর/এসি
