প্রয়াত বিএনপি নেতা তরিকুল ইসলামের স্মরণ সভায় হাতাহাতি ও মারামারিতে জড়ালেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। চরম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে এক পর্যায়ে অনুষ্ঠানের মঞ্চ ত্যাগ করেন বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফখরুলসহ সিনিয়র নেতারা।
শেষ পর্যন্ত, পূর্ব নির্ধারিত সভাটি হলেও ঢাকার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটের বাইরে দফায় দফায় হাতাহাতিতে লিপ্ত হন স্বেচ্ছাসেবক দল ও যুবদলের কর্মীরা। এতে আহত হন ভবনের কয়েকজন নিরাপত্তাকর্মী।
শনিবার (৬ নভেম্বর) রাজধানী ঢাকার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউটের নিচতলার মিলনায়তনে বিএনপির প্রয়াত নেতা তরিকুল ইসলামের স্মরণ সভায় হাজির হয়েছিলেন হাজারো নেতা-কর্মী।

সভায় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। শুরু থেকেই হৈচৈ লেগেই ছিল। এতে আমন্ত্রিত বিএনপি মহাসচিবসহ সিনিয়র নেতারা বিরক্ত হচ্ছিলেন।
কিন্তু সভা শুরু হতে না হতেই সেই হৈচৈ প্রথমে পরিণত হয় হট্টগোলর। তারপর হাতাহাতি ও মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন বিএনপি নেতাকর্মীরা। দফায় দফায় চলে উত্তেজনা।
আরও পড়ুন: মানুষ না খেয়ে মরার পর্যায়ে চলে গেছে: ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব যখন প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখনও নিজেদের মধ্যে হাতাহাতিতে লিপ্ত ছিলেন নেতাকর্মীরা। পরিস্থিতি চরমে পৌছলে বক্তব্য থামিয়ে মঞ্চ ছেড়ে যান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বসে পড়েন সভার চেয়ারে।
নেতাকর্মীদের বিশৃঙ্খল আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিএনপি নেতারা। এক পর্যায়ে আবারও মঞ্চে ফিরে আসেন ফখরুল।
বক্তব্য শেষে নেতারা বের হবার সময় আরেক দফা সংঘর্ষে জড়ান কর্মীরা। এক পর্যায়ে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের বাইরের কাচের দরজা ভেঙ্গে ফেলেন তারা। এই ঘটনায় আহত হন সেখানকার একজন নিরাপত্তাকর্মী।
একাত্তর/আরএ
