বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় মোখার সার্বিক বিষয় সরাসরি মনিটরিং করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ।
রোববার সকালে আওয়ামী লীগের সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমন্ডলীর বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ঘূর্ণিঝড় বিষয়ে সার্বক্ষণিক তদারকি ও নজরদারি করে প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সাথে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে ।
এরই মধ্যে বিএনপি আবারও সরকার পতনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলছেন, ঝড় আসছে, ঝড় আসবে, এর সঙ্গে আমাদের পলিটিক্যাল অপনেন্ট বিএনপির মহাসচিব বলেছেন রাজনৈতিক ঝড় নাকি আসবে। মানুষ সৃষ্ট রাজনৈতিক ঝড়ের অপেক্ষায় আমরা আছি। বিএনপির ঝড়ে নাকি শেখ হাসিনা সরকারের পতন হবে। আসলে বাস্তবতা হচ্ছে এদের এখন আন্দোলন করার, ঝড় তোলার সামর্থ্য নেই। এজন্যই তারা গলাবাজি করে নিজেদের অক্ষমতাকে ঢাকতে চেয়েছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি যাতে নির্বাচন বানচাল করতে না পারে সেজন্য প্রতিদিনই কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে ফের ২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালের মতো জ্বালাও-পোড়াও করতে চাইলে বিএনপিকে প্রতিহত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।
বৈঠকে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, এসএম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, সুজিত রায় নন্দী উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাশ, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাপা, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, উপ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল শামীম, উপ দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. সায়েম খান, কার্যনির্বাহী সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
একাত্তর/এআর
