সরকার পতনের একদফা দাবিতে পদযাত্রা করে এ পদযাত্রাকে গণতন্ত্র বিজয়ের যাত্রা বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার বিএনপির গাবতলী থেকে দয়াগঞ্জ পর্যন্ত এ পদযাত্রা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যানজট তৈরি হয়।
এসময় সরকার পতনের লক্ষ্যে নেতাকর্মীদের ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন বিএনপি মহাসচিব।
সরকার পতনে বিএনপির এক দফা আন্দোলনের প্রথম কর্মসূচি এই পদযাত্রা। যার শুরুটা ছিলো গাবতলী থেকে। সেখানে জমা হন বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মী। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, শান্তিপূর্ণ এমন আন্দোলনে সরকারের পতন ঘটানোই তাদের লক্ষ্য।
ফখরুল বলেন, এটা হচ্ছে বিজয়ের যাত্রা। ইনশাল্লাহ, এই যাত্রার মধ্যে দিয়েই একদফা দাবি আমরা আদায় করবো। এই অবৈধ সরকারকে পরাজিত করে জনগণের সরকার আমরা গঠন করবো।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার আজ নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে কিছু সরকারি কর্মকর্তার ওপর।
ঢাকা মহানগর উত্তরের আহবায়ক আমান উল্লাহ আমান বলেন, ঢাকার জনগণ নেমে এসেছে। ইনশাল্লাহ, হাসিনাকে বিদায় নিতে হবে।
পরে গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে পায়ে হেটে মিছিলের প্রথম ভাগটি যখন মিরপুর ১০ নম্বর পৌঁছায়। তখন মিছিলের শেষ ভাগ ছিলো টেকনিক্যাল মোড়ে। এরপর কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, তালতলা, আগারগাঁও ও বিজয় স্মরণী হয়ে এগিয়ে চলে মিছিল।
ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার এবং এফডিসি সড়ক হয়ে মিছিলটি মগবাজারে পৌঁছালে সেখানে তাদের স্বাগত জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরাও। সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এই সরকার পতন নিশ্চিত করতে নেতাকর্মীদের যে কোন ত্যাগ স্বীকারের নির্দেশ দেন তিনি।
আরও পড়ুন: নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করতেই হিরো আলমের ওপর হামলা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পরে মগবাজার থেকে নয়াপল্টনে গিয়ে দলীয় কার্যালয়ের বিরতি নেয় মিছিলটি। সেখান থেকে আরও নেতাকর্মীদের নিয়ে ফকিরাপুল, মতিঝিল, ইত্তেফাক মোড়, দয়াগঞ্জ সড়ক হয়ে রায় সাহেব বাজারে গিয়ে শেষ হয় বিএনপির এই পদযাত্রা কর্মসূচি।
একাত্তর/আরএ
