মঙ্গলবার সারা বাংলাদেশে যে অত্যাচার, নিপীড়ন করা হয়েছে তার জবাব দেয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
বুধবার আব্দুল্লাহপুরে পদযাত্রা কর্মসূচি শুরুর আগে মির্জা আব্বাস এ কথা বলেন।
শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতেই সরকারের পতন হবে জানিয়ে তারা বলেন, বাধা এলে জবাব দেয়া হবে। এরপর আব্দুল্লাহপুর থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার পদযাত্রায় অংশ নেন দলটির নেতাকর্মীরা।
আওয়ামী লীগ শান্তি মিছিলের নামে অশান্তি শুরু করেছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, এখন ছেড়ে দেয়ার দিন শেষ, আর কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। মঙ্গলবার সারা বাংলাদেশে যে অত্যাচার, নিপীড়ন করা হয়েছে তার জবাব দেয়া হবে।
সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, সরকারের পদত্যাগ এখন এক দাবি। আওয়ামী লীগ বলছে সংবিধানের বাইরে এক পা যাবে না। বিএনপিও সংবিধানের কথা বলে। তবে খায়রুল হকের সংশোধনীর পরের কাটাছেঁড়া সংবিধান নয়।
দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আব্দুল মঈন খান বলেন, সরকার জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়েছে, গণতন্ত্রের লেবাস পড়ে বাকশাল কায়েম করেছে।
তিনি বলেন, আমরা গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনবো। এক দফার আন্দোলনে এই সরকারকে বিদায় দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন করে জনগণের সরকার গঠন করা হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমান উল্লাহ আমান বলেন, অবিলম্বে সংসদ ভেঙে দিয়ে পদত্যাগ করুন। নয়তো জনগণ এক দফা বাস্তবায়ন করবে।
আমান বলেন, এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন আইসিইউতে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার কর্মসূচিতে একজনকে হত্যা করা হয়েছে, ঢাকায় বাধা দেয়া হয়েছিল, তা প্রতিরোধ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, সংবিধানের অধীনে নির্বাচন ছাড়া নড়বে না বলছে আওয়ামী লীগ, কিন্তু বিএনপি আন্দোলনে তাদের পদত্যাগে বাধ্য করবে। রাজপথেই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পতন নিশ্চিত করা হবে। সরকারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি এভাবে চলতে থাকবে।
পরে সিনিয়র নেতাদের নেতৃত্বে শুরু হয় পদযাত্রা। আব্দুল্লাহপুর থেকে উত্তরা হয়ে বিমানবন্দর সড়ক দিয়ে কুড়িল বিশ্বরোড থেকে রামপুরার দিকে এগিয়ে যায় মিছিল।
মালিবাগ আবুল হোটেলের সামনে এসে পদযাত্রার নেতৃত্ব নেন বিএনপির ঢাকা দক্ষিণের নেতাকর্মীরা।
সেখান থেকে খিলগাঁও বাসাবোর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুগদা হয়ে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালের সড়ক দিয়ে যাত্রাবাড়ীর চৌরাস্তায় পৌছায় পদযাত্রা। শেষ হয় ২২ কিলোমিটারের কর্মসূচি।
একাত্তর/জো
