প্রায় ৫০ আসনে নৌকার সহজ জয়ের সম্ভাবনা

আপডেট : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৪:৪২ পিএম

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় ৫০টি আসনে সহজ জয় পেতে পারে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা। কমিশনের যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়াসহ নানা কারণে এসব আসনে নৌকার প্রার্থীর সামনে আছেন দুর্বল প্রতিদ্বন্দ্বী। এসব আসনে তেমন কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মিলছে না।

ঢাকা-১২ আসনে প্রার্থী এবার ছয় জন। তারা প্রতিনিধিত্ব করছেন ছয়টি দলের। রাজধানীর এই আসনে নৌকার প্রার্থী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। প্রধান প্রতিপক্ষ জাতীয় পার্টি। গেলো নির্বাচনে এখানে জাতীয় পার্টির প্রার্থী ভোট পান ৭৯৫টি। আর আসাদুজ্জামান খান কামাল পান ১ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৫টি। এবার এই আসনে আছেন জাতীয় পার্টির নতুন মুখ। তবে তিনিও যে খুব পরিচিত, তেমন নয়।

ঢাকা-৯ আসনে নৌকার প্রার্থী সাবের হোসেন চৌধুরী। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনএফ ও এনপিপি ও জাতীয় পার্টি ও তৃণমূল বিএনপিসহ ৯টি দলের নয়জন প্রার্থী। গেলোবার নৌকা প্রার্থী ভোট পান ২ লাখ ২৪ হাজার ২৩০টি। বিএনএফ পায় ১৪৪ আর এনপিপি পায় ১৪৬টি ভোট। ভোটের এই চিত্র এবার বদলে দেয়ার মতো প্রার্থী দিতে পারেনি প্রতিপক্ষ কোন দলই।

অতীতের ভোটের ইতিহাস বলছে ঢাকার ৪, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১২, ১৫, ১৬ ও ১৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তেমন কোন ভোট ছিলো না। এবারও বেশির গ ভোটারই জানে না আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি ছাড়া আর কোন প্রার্থীরা এখানে নির্বাচন করছেন। তারা বলছেন, নৌকা ছাড়া অন্যান্য প্রতীকে নির্বাচনে সামিল হওয়া প্রার্থীদের নামই তারা কখনো শুনেননি।

অন্যদিকে, রাজধানীর বাইরে পঞ্চগড়-২, নীলফামারী-৪, নওগাঁ, রংপুর, সিলেট-১, বরিশাল, রাজশাহী, ঝালকাঠি, জামালপুর, শেরপুর, চাঁদপুর ও কুমিল্লার একাধিক আসনেও প্রায় একই চিত্র। যেখানে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থীর বিপরীতে জমজমাট লড়াই করার মতো কোন প্রার্থী নেই। তাই আসনগুলোতে অনেকটা সহজ জয়ের অপেক্ষায় নৌকার প্রার্থীরা।

এবার, সারাদেশের ৩০০ আসনের মধ্যে ৭৯ আসনে একজনও স্বতন্ত্র প্রার্থী নেই। যদিও বিএনপিহীন এই ভোটে সবচেয়ে বেশি আলোচিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

বাকি ২২১ আসনে লড়ছেন ৩৮২ স্বতন্ত্র প্রার্থী। স্বতন্ত্র প্রার্থী শূন্য ৭৯ আসনের বেশিরভাগেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ‘হেভিওয়েট’ নেতারা প্রার্থী হয়েছেন।


নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় দেখা গেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনীতরা রয়েছেন ২৬৩ আসনে। পরে তিনটি আসনে এই দলের তিনজন আদালতের রায়ে প্রার্থিতা ফেরত পেয়েছেন। এখন তারা ২৬৬ আসনে লড়াইয়ে আছেন। সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির প্রার্থী রয়েছেন ২৬৫ আসনে। যদিও আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন বণ্টনের সমঝোতায় তারা মূলত লড়ছেন ২৬টি আসনে।

এবারে নির্বাচনের নতুনত্ব হচ্ছে দলীয় স্বতন্ত্র প্রার্থী। শতাধিক আসনে এসব স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নিজ দলের নৌকার প্রার্থীদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারেন। আওয়ামী লীগের বর্তমান ২৮ জন সংসদ সদস্য দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আছেন। জেলা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং পৌরসভার মেয়র পদ ছেড়ে স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন ৩৫ জন। তাদের বাইরে সাবেক সংসদ সদস্য এবং স্থানীয় রাজনীতিতে প্রভাবশালী আরও অনেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।

এআরএস
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক সাজা চেয়ে সমাপনী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করেছে...
আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণ গুজব বলে জানিয়ে দিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। একই সঙ্গে তিনি জানান, ভারতের সঙ্গে যেকোনো ধরনের কূটনৈতিক জটিলতা...
জুলাই আন্দোলন দমনে তথ্যপ্রবাহ বন্ধ করতে তৎকালীন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে ফোন করে ইন্টারনেট ধীরগতির করার নির্দেশ দিয়েছিলেন ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সাধারণ...
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে তৎকালীন শাসকদলের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর সরাসরি হামলার নির্দেশনা দেওয়ার একটি ফাঁস হওয়া কল রেকর্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জমা...
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের আরাধ্য ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মতিথি ও জন্মাষ্টমী শুক্রবার। ন্যায়নীতি, সত্য ও সুন্দরকে প্রতিষ্ঠা এবং দুষ্টের দমন করে মানবজাতির কল্যাণের লক্ষ্যে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের এই...
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) বাতিল হওয়ার কারণে খেলোয়াড়দের আয়ের সুযোগ কমে যাওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটের ম্যাচ ফি দ্বিগুণ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-এর পরিবর্তে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন’ (এসআরবি) নামে পুলিশের একটি নতুন বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে একটি বিল উত্থাপন করা হয়েছে।
২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যকে কোনো স্লোগান নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর