সাজানো নির্বাচনে আর যাবো না: তৈমূর

আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২৪, ০৩:২৮ পিএম

সরকার নির্বাচনকে কুক্ষিগত করে রেখেছে মন্তব্য করে তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার বলেছেন, আমরা সাজানো নির্বাচনে আর যাবো না। আমাদের সব প্রার্থী ঢাকা আসবে। তাদের সঙ্গে কথা বলে প্রধানমন্ত্রীকে রিপোর্ট দেবো।

বুধবার নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তৈমূর বলেন, তৃণমূল বিএনপি রাজনীতি করবে। আমরা সবসময় রাজপথে ছিলাম। বাকি জীবনও আমাকে রাজপথেই থাকতে হবে। ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা তত্বাবধায়ক সরকারের কথা তুলে ধরেছিলেন। আমরা এগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখবো। 

নির্বাচন হয়েছে সরকার বনাম সরকার, দেশ একদলীয় শাসনের দিকে যাচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমাদের জন্য দেশে সুষ্ঠু রাজনীতি সম্ভব না। আগামী প্রজন্মও পারবে না। তৃতীয় প্রজন্ম হয়তো পারবে।

তিনি বলেন, সরকার ভাবে ক্ষমতা ছাড়লে আমাকে জেলে যেতে হবে। সে কারণেই ওরা নির্বাচন কুক্ষিগত করে। নির্বাচন কমিশনের কোনো ক্ষমতা নেই। তারা প্রশাসন ও সরকারের আজ্ঞাবহ। 

তিনি বলেন, রূপগঞ্জের দুটি সন্ত্রাসী বাহিনী শমসের ডাকাত ও রীতা মেম্বার। তাদের সম্পর্কে আমরা বারবার নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে বলে এসেছি। আমাদের কাছে ডকুমেন্টস আছে। আমরা বলেছি এরকম সিরিজ মামলার আসামিদের আইনের আওতায় আনা হোক। কিন্তু কোনো প্রতিকার পাইনি। 

তিনি জানান, নির্বাচনের দিন চনপাড়ায় রেজাল্ট ঘোষণার পর সমশের বাহিনী ও রিতা বাহিনী আমার কর্মীদের বাড়িঘর লুটপাট করে। আমি আজ এই পরিবারটিকে নিয়ে এসপি অফিসে এসেছি। এসপি আশ্বস্ত করেছেন, তারা নির্বিঘ্নে চনপাড়ায় বসবাস করতে পারবে। তিনি ওসিকে ফোনে নির্দেশনাও দিয়েছেন।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব তৈমূর আলম খন্দকার। এই আসনে এক লাখ ৫৬ হাজাার ৪৮৩ ভোট পেয়ে জয়ী হন নৌকার প্রার্থী গোলাম দস্তগীর গাজী।

আর তৈমূর ভোট পান মাত্র তিন হাজার ১৯০। যা পড়া মোট ভোটের দেড় শতাংশ। মোট প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ অন্তত সাড়ে ১২ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় জামানত বাজেয়াপ্ত হয় তৈমূরের।

একাত্তর/এসি
উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিবে না বলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। আর বিএনপির নেতা-কর্মী কেউ অংশ নিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতারা।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় তিন কোটি টাকা খরচ করেছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, দলটির সর্বোচ্চ সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয় করার সুযোগ ছিলো।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই সবচেয়ে বেশি অনলাইন বুলিইংয়ের শিকার হয়েছেন।
দেশি-বিদেশি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন হলেও মানুষের অনাস্থা দূর করা যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।
মন্ত্রিসভার কোনো সদস্য বা উপদেষ্টার কার্যক্রমে সন্তুষ্ট না হলে প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় তার দায়িত্ব পুনর্বণ্টন কিংবা নতুন কাউকে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও...
জর্ডানে ইরানের সামরিক অভিযানে দুই মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার পর এবার মার্কিন বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিলো এবং তৎকালীন সময়ে সংঘটিত...
মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে চুরি ও পকেটমারির অভিযোগে একটি চক্রের ছয় নারীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় জনতা ও আনসার সদস্যরা। 
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর