যাদের জয়বাংলায় বিশ্বাস নেই তারা স্বাধীন দেশ চায় না: শেখ হাসিনা

আপডেট : ০৭ মার্চ ২০২৪, ০৮:৩৯ পিএম

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা জয়বাংলা স্লোগানে বিশ্বাস করে না, ৭ মার্চের ভাষণকে যারা প্রেরণা বলে মনে করে না, তার অর্থ তারা স্বাধীন বাংলাদেশই চায় না। তারা দেশের উন্নয়ন চায় না। দেশের মানুষের অর্থ-সামাজিক উন্নতি চায় না। 

তিনি আরও বলেছেন, তাদের কেন মানুষ ভোট দেবে। সেজন্যই তারা বারবার ইলেকশন বানচাল করে কীভাবে মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে, বারবার অগ্নিসন্ত্রাস সৃষ্টি করে দেশটাকে ধ্বংস করতে চায়।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে দলটির আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো, দেশের স্বাধীনতার কথা আপনি কখন থেকে চিন্তা করেন। তিনি উত্তর দিয়েছিলেন, ১৯৪৮ সালে যখন মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার পাকিস্তানিরা নিয়ে নিয়েছিল, সেদিন থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম ওদের সঙ্গে আর থাকবো না।

শেখ হাসিনা বলেন, ভাষা আন্দোলনের পথ বেয়েই কিন্তু স্বাধীনতা। একজন নেতা নিজের জীবনের সব বিসর্জন দিয়ে একটি জাতির জন্য তিনি দিনের পর দিন অধিকারবঞ্চিত-শোষিত মানুষের কথা বলতে গিয়ে বারবার কারাবরণ করেছেন। জেলজুলুম, অত্যাচার সহ্য করেছেন। যে লক্ষ্য তিনি স্থির করেছিলেন সেই লক্ষ্য সামনে রেখে একটার পর একটা পদক্ষেপ নিয়েছেন।

তিনি বলেন, তিনি (বঙ্গবন্ধু) চুয়ান্ন সালে নির্বাচনও করেছেন, ছাপ্পান্ন সালে তিনি জাতীয় পরিষদের ছিলেন। নিয়ম মেনেই কিন্তু এগিয়ে গেছেন। একটি লক্ষ্য স্থির রেখে। যেটা কখনও তিনি মুখে উচ্চারণ করেননি। কিন্তু একটি জাতিকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ করা বা তাদের সংগঠিত করা, ঐক্যবদ্ধ করা এটা একটি কঠিন কাজ ছিল। সেই কঠিন কাজ তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে করে যান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য জাতির পিতা যে স্বপ্ন দেখেছিলেন সেটাই আমাদের বাস্তবায়ন করতে হবে। যে কাজটা তিনি করতে গেলেও করতে দেয়া হয়নি। ১৫ আগস্টে নির্মমভাবে হত্যা করে মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে। কাজেই এই দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর কেউ যেন ছিনিমি খেলতে না পারে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করার জন্য, দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন করবার জন্য, উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। এখন ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার জন্য সবাইকে কাজ করে যেতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, ছয় দফা মানুষের বাঁচার দাবি হিসেবে কিন্তু এত জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। সেখানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করার পর থেকেই আন্দোলন শুরু। আন্দোলন সংঘটিত করার পেছনে আমার মায়ের অনেক অবদান রয়েছে। তিনি ৭ জুনের হরতাল থেকে শুরু করে সব আন্দোলন সংগ্রামের নেপথ্যে ছিলেন, কিন্তু সক্রিয়ভাবে করেননি। গোপনে নেতৃবৃন্দের সঙ্গে দেখা করা, ছাত্র নেতাদের সঙ্গে দেখা করা, আন্দোলন করার সব নির্দেশনা, মিটিং করা সব কিছুই তিনি করতেন। কিন্তু তিনি কখনও প্রকাশ্যে আসেননি।

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, এমনকি ১৯৪৮ সাল থেকে জাতির পিতার বিরুদ্ধে পাকিস্তানিরা যেসব গোয়েন্দা তথ্য দিয়েছে সেখানে আমার মাকে কখনও ধরতেই পারেনি। তিনি সব সময় তার পোশাক পরিচ্ছদ পরিবর্তন করে, একটা বোরকা পরে তারপরে গাড়িটা ডেকে, স্কুটারে করে বিভিন্ন জায়গায় ছাত্র নেতাদের সঙ্গে দেখা করা, আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে দেখা করা, যথাযথ নির্দেশনা দেওয়া সেগুলো তিনি করতেন।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা একজন বড় গেরিলা ছিলেন জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন,  বলতে গেলে তিনি ছিলেন একজন বড় গেরিলা। সেভাবেই তিনি কাজ করেছেন। সে আন্দোলনগুলোকে তিনি যথাযথভাবে গড়ে তুলতে পেরেছেন। ছয় দফার যে দাবিটা সেটা মানুষের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছিলেন।

কেএসএইচ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া পলাতক আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে সরকার। তাকে দেশে ফেরানো বা পাওয়া মাত্রই গ্রেপ্তার করে কারাগারে...
সাবেক ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 
প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে দীক্ষিত হয়ে দেশ গঠনে সবাইকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহবান জানিয়েছেন তার বড়ো ছেলে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশ পুনর্গঠনে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে...
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের মহাকাব্যিক জয় শুধু একটি ঐতিহাসিক ট্রফি অর্জন আর রূপকথার গল্প নয়, এটি ছিল ফুটবলের এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজংশে ব্যাটন হস্তান্তরের স্মারক। ফুটবল...
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইনজুরি টাইমে ফেরান তোরেসের অবিশ্বাস্য গোল স্প্যানিশ ফুটবলে নতুন ইতিহাস লিখেছে। ২০১০ সালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশকে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর