দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বলেছেন, কোনো ব্যক্তির দুর্নীতির দায় প্রতিষ্ঠান নেবে না।
বুধবার বিকেলে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। বলেন, শেখ হাসিনা দুর্নীতির বিরুদ্ধে এখন জিরো টলারেন্স। অপরাধ অনুযায়ী শাস্তি পেতেই হবে।
সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বেনজীরের বিষয়টি ব্যক্তিগত। প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করতে পারি না।
‘দুদক তদন্ত করবে। যে যতটুকু অপকর্ম করবে, সে অনুযায়ীই শাস্তি পাবে,’ যোগ করেন ওবায়দুল কাদের।
আরেক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তথ্য পেলে তদন্ত হবে।
সাবেক সেনাপ্রধানের ওপর মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞা ও সাবেক আইজিপির বিপুল সম্পদ জব্দের আদেশের মধ্যেই তাদের নিয়ে এ মন্তব্য করলেন সরকারের অন্যতম প্রভাবশালী এই নীতিনির্ধারক।
দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে এনে জেনারেল আজিজ আহমেদসহ তার পরিবারের সদস্যদের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
গত সপ্তাহে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বলেছেন, আজিজ আহমেদের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান ও প্রক্রিয়ার প্রতি জনগণের বিশ্বাসকে ক্ষুণ্ণ করতে ভূমিকা রেখেছে।
এদিকে সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীরকে নিয়ে অনুসন্ধানে নেমে শত শত কোটি টাকার সম্পদের খোঁজ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
এরপর বেনজীর, তার স্ত্রী ও সন্তানদের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর বিপুল সম্পদ জব্দ ও অবরুদ্ধ করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জন্য তলব করেছে দুদক।
এদিনের সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় দুর্নীতির বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয় থাকার সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের। বলেন, বিএনপির আমলে যারা দুর্নীতি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কী নিয়েছে?
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির কর্মীদের চাঙ্গা করতে সর্বশেষ লিফলেট কর্মসূচি দিয়েছে। বিএনপি ভেবেছিল, জাতীয় নির্বাচনের পর দেশে দুর্ভিক্ষ ও প্রাণহানি ঘটবে। তাদের সেই স্বপ্ন কর্পূরের মতো উড়ে গেছে।
আজিজের দুর্নীতির অভিযোগ যেভাবে আমলে নেবে দুদক
আজিজ, বেনজীর ও আনার নিয়ে যা বললেন সালমান 