অন্তর্বর্তী সরকারের বিমান ও পর্যটন এবং ভূমি উপদেষ্টা এ এফ এম হাসান আরিফের মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে গেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার সাড়ে তিনটার দিকে হাসান আরিফের মৃত্যুর খবর পেয়ে কিছুক্ষণ পরই তিনি রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে যান। সেখানে তিনি মরহুমের পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন ও সমবেদনা জানান।
হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি আমার সুহৃদকে হারিয়েছি। দেশ হারিয়েছে একজন দেশপ্রেমিক মানুষকে। তার শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
বিএনপি মহাসচি বলেন, তিনি কেবল একজন স্বনামধন্য আইনজীবীই ছিলেন না, তিনি বিশিষ্ট গণতন্ত্রে বিশ্বাসী মানুষ ছিলেন। এই সময়ে তার প্রয়োজন ছিল।
এর আগে আজ বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে মারা যান উপদেষ্টা এ এফ এম হাসান আরিফ। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।
সন্ধ্যায় বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, উপদেষ্টা হাসান আরিফের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির শীর্ষনেতারা।
তিনি বলেন, হাসপাতালে মির্জা ফখরুল কিছু সময় কাটান ও পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করেন।
আর আগে এক শোকবার্তায় উপদেষ্টা এএফ হাসান আরিফের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপি মহাসচিব ফখরুল বলেন, এ এফ হাসান আরিফের মৃত্যুতে তার শোকাহত পরিবার-পরিজনদের মতো আমিও গভীরভাবে সমব্যথী। তিনি দেশের একজন অভিজ্ঞ, নামকরা ও বিশিষ্ট আইনজীবী হিসেবে সর্বমহলে সুপরিচিত ছিলেন। আইনজীবী হিসেবে তিনি তার ন্যায়নীতি থেকে কখনোই বিচ্যুৎ হননি। তার মৃত্যুতে দেশে গণতন্ত্রে উত্তরণে এক শুন্যতা সৃষ্টি হলো।
বিএনপি মহাসচিব শোকবার্তায় এএফ হাসান আরিফের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গ, গুণগ্রাহী, ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
হাসান আরিফের দাফন নিয়ে আবারও সিদ্ধান্ত বদল