সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার প্রথম মেয়াদ পার করতে চলেছেন টাইগারদের সাবেক কাপ্তান মাশরাফী বিন মোর্তজা। ক্রিকেটের বাইশ গজে নেতৃত্ব দিয়ে হয়েছেন কিংবদন্তি।
খেলার নেতা থাকতেই হয়েছেন জনতার নেতা। নড়াইলের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়নে মাঠের মানুষ থেকে গেছেন মাঠেই। অন্যভাবে, ভিন্ন লক্ষ্যে। সংসদ সদস্য মাশরাফী সাধারণ মানুষের সেবা করতে পেরে নিজেকে মনে করছেন ভাগ্যবান।
মাথায় চেনা রঙের সেই ক্যাপ, সাদামাটা টি-শার্ট। গান শোনার অভ্যাস আছে, তাই সাথে একটা এয়ারফোন। যোগাযোগের মাধ্যম মোটরবাইক। এই হালেই জনতার মাঝে মিশে যান সংসদ সদস্য মাশরাফী।
ক্রিকেটের মাঠে রাজত্ব করেছেন, রাজনীতির মাঠে বসে থাকার মানুষ নন। সমস্যা খতিয়ে দেখা আর তার সমাধান, তুড়ি মেরে সব করা সম্ভব না। এটাই বাস্তবতা। কিন্ত ম্যাশ যেন ম্যাজিশিয়ান। সমাধান ঠিকই বের করেন এবং সেটা সবার সাথে আলোচনা করেই।
আর সে কারণেই সংসদ নেতাদের মধ্যে আদর্শ হয়ে উঠেছেন ম্যাশ, নির্বাচিত হওয়ার শুরু থেকেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রিয় পাত্র হতেও তাই সময় নেননি একদম। তাই তো নড়াইলের মানুষের দাবি-দাওয়া আদায়ের ক্ষেত্রেও মাশরাফী এগিয়ে থাকেন এক ধাপ।
ক্ষমতার বড়াই নেই, বরং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে অকপটে স্বীকার করেছেন, সাধারণ মানুষের এই সেবা করার সুযোগ পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার, আর এই ভাগ্য সবার হয় না।
ক্রিকেটটাই জীবন নয়, তবে ম্যাশের জন্য এটা তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন অংশ। নিজেই সবসময় বলে এসেছেন এই কথা। তাই তো রাজনৈতিক ব্যস্ততার ফাঁকেও সময়মতো মাঠে হাজির হন, খেলেন প্রফেশনাল ক্রিকেট। সতীর্থদের সাথে সাথে আড্ডা দেয়ার সময়ও বের করে ফেলেন ঠিকই।
তবে কেবল ক্রিকেটের নয়, ম্যাশ হতে চান সবার, যার নেতৃত্বে চোখ বন্ধ কোরে বিশ্বাস করা যায়।
বাংলাদেশের পেসারদের নিয়ে যা বললেন ইরফান পাঠান