ভারতকে শ্রীলঙ্কা বানানোর পরিকল্পনা করছে অস্ট্রেলিয়া। ফাইনালে নাকি ৬৫ রানে অলআউট হবে টিম ইন্ডিয়া। এমন ভবিষ্যতবাণী করলেন অস্ট্রেলিয়ান অলরাউন্ডার মিচেল মার্শ। তিনি বলেছেন, ভারত এবার একটাই ম্যাচ হারবে, আর সেটা অসিদের বিপক্ষেই।
এবারের আসরে এর আগেও মিলে গিয়েছিলো মার্শের ভবিষ্যদ্বাণী। তাহলে কি আহমেদাবাদে শেষ হাসি হাসবে অসিরাই? মিচেল মার্শের কথা নিয়ে তাই শুরু হয়েছে শোরগোল। তবে মজার বিষয়, মার্শের এই ভবিষ্যদ্বাণী কিন্তু কেশ পুরনো। অনেক আগে করা কথাই নতুন করে চাউর হচ্ছে।
মেগা ফাইনালের ফলাফল কী হবে, তা বেশ কয়েকমাস আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন মিচেল মার্শ। চলতি বছরের মে মাসে দিল্লি ক্যাপিটালসের পডকাস্টে ফাইনাল নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন তিনি। আর তাতে তিনি বলেছিলেন ফাইনাল জিতবে অস্ট্রেলিয়া। এবং বিশাল রানের ব্যবধানে জিতবে প্যাট কামিন্সের দল।
জীবন তো গিয়েছে চলে, আমাদের কুড়ি-কুড়ি বছরের পার, তখন আবার যদি দেখা হয় তোমার আমার। জোহানেসবার্গ থেকে আহমেদাবাদ, ২০০৩-২০২৩ সময়টা গুণে গুণে সেই কুড়ি বছর, আবারও ওডিআই বিশ্বকাপের গ্র্যান্ড ফাইনাল। ভারতের মুখোমুখি মাইটি অস্ট্রেলিয়া।
তোমাতে শুরু তোমাতেই শেষ, আমার গল্পে তুমিই বেশ... ভারত আর অস্ট্রেলিয়ার গল্পটা এতোটা রোমান্টিক না হলেও, এই লাইন দুটো কিন্তু খুব একটা বেমানান নয়। নিজেদের প্রথম ম্যাচে অসিদের হারিয়েই তো যাত্রা শুরু করেছিলো স্বাগতিকরা। অন্যদিকে, এই হারেই যেনো অস্ট্রেলিয়ার লাগে শনির দশা। সবাই দেখে ফেলেছিলো কামিন্সদের শেষটা। তবে, শেষ বলে যেন কিছু নেই, আছে অবশেষ।
সেই অবশেষ থেকে সবাই ২০০৩ এর অস্ট্রেলিয়ার সাথে মিল খুঁজে বের করছে এই টিম ইন্ডিয়ার। সেবার অসিরা যেমন মাঠে নামতো খুনে মেজাজে, তাদের বলা হতো সিরিয়াল উইনার। ১১টি ম্যাচ জিতে ঘরে তুলেছিলো শিরোপা। তবে ২০০৩ আর ২০২৩ এক নয়, সংখ্যাটা পাল্টে গেছে। পাল্টে গেছে ভারতও।
এবার টিম ইন্ডিয়াও সেই একই ফর্মে। রোহিত এন্ড কোম্পানি এখন ১০ অন ১০। তার মানে কী এবার শিরোপা ঘরে তুলবে ভারত। এই যখন প্রশ্ন তখন অজি অলরাউন্ডার মিচ মার্শ বনে গেলেন নস্ট্রাডমাস। বললেন ভারত এবারের প্রথম হারটা দেখবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। আর সেটি ফাইনালেই।
সেই পডকাস্টে মার্শ বলেছিলেন, ফাইনালে অস্ট্রেলিয়া ২ উইকেটের বিনিময়ে ৪৫০ রান করবে। আর, ভারত ব্যাট করতে নেমে ৬৫ রানে শেষ হয়ে যাবে। মে মাসে করা ভবিষ্যদ্বাণীর অর্ধেকটা মিলে গিয়েছে। ফাইনালে উঠেছে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। তবে রান সংখ্যার যে ভবিষ্যদ্বাণী তিনি করেছেন, তা মিলবে কিনা বলবে সময়।
ভারতের বিপত্তি আরো একটা জায়গায়। বিশ্বকাপের ফাইনালে আম্পায়ার থাকছেন রিচার্ড কেটলবোরো এবং রিচার্ড ইলিংওয়ার্থ, এনেই মনে কু ডাকছে ভারতীয় সমর্থকদের। এই দুজনের কেউ একজন অনফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে থাকলেই নকআউটে হেরে যায় ভারত।
গেলো বিশ্বকাপেও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচেও আম্পারিংয়ে ছিলেন এই মানিকজোড়। এ সবই কুকথা, আর কুকথাতো বাতাসে ছড়ায়। সে ছড়ানোতে মন নেই কারো, কারণ ম্যাচটাতো ফাইনাল। আহমেদাবাদের আকাশে শুরু হয়েছে সূর্যকিরণের মহড়া। । এখন শুধু দেখার অপেক্ষা অস্ট্রেলিয়ার হেক্সা নাকি ভারত ঘরে তোলে তিন নম্বর ট্রফিটা।
ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে অধিনায়ক শান্ত