গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক রকি হত্যার তিনমাস পর মামলার প্রধান আসামী কাঞ্চন ও সোহাগকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত কাঞ্চন ও সোহাগ শহরের পুর্বপাড়া এলাকার নওয়াব আলীর ছেলে ও সহোদর দুই ভাই। কাঞ্চন এই মামলার ১ নম্বর ও সোহাগ ৩ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামী।
রোববার (১৭ অক্টোবর) রাত ১১ টার দিকে গাইবান্ধা শহরের ব্রীজরোড এলাকায় একটি মাইক্রোবাস তল্লাসীর সময় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) এবং রকি হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আব্দুর রউফ জানান, কাঞ্চন ও সোহাগ শহরের ব্রীজরোড এলাকায় অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এবং তাদের একটি মাইক্রোবাস থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে এই মামলার এজাহার নামীয় চারজনসহ মোট নয় জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এর আগে গত ১১ জুলাই মায়ের ঔষুধ কিনে জেলা শহর থেকে ফিরছিলেন গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক আশিকুর রহমান রকি। পথে রাত সাড়ে ১০ টার দিকে শহরের পূর্ব পাড়ায় তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে তাকে এলোপাথাড়ি ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করা হয়।
আরও পড়ুন: বিভিন্ন মেয়াদে চবি ছাত্রলীগের ১২ নেতা-কর্মী বহিষ্কার
পরেরদিন শহরের পূর্বপাড়ার দাদন ব্যবসায়ী কাঞ্চন, ইমরান, মানিক, সোহাগসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত রকির ভাই আতিকুর রহমান রোস্তম। প্রাথমিকভাবে মোটরসাইকেলের গতি নিয়ে পূর্বের দ্বন্দের জেড়ে হত্যাকান্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা পুলিশের।
একাত্তর/আরবিএস
