ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের মজলিসপুর ইউনিয়নে ঝুঁকি নিয়ে ব্যবহার হচ্ছে প্রাকৃতিক গ্যাস। ওই এলাকায় গিয়ে দেখা দেখা গেছে পাইপের মাধ্যমে বিভিন্ন বাসাবাড়িসহ শিল্প কারখানায় দেয়া হয়েছে অবৈধ সংযোগ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব অবৈধ সংযোগে যে কোন সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। জেলা প্রশাসক বলছেন, খুব দ্রুত এসব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে।
মজলিসপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় ১২ বছর ধরে প্রাকৃতিক গ্যাস ওঠে। এলাকার লোকজনের দাবি প্রথম থেকেই তারা জ্বালানি এই গ্যাস ব্যবহার করেন।
এরপর একটি চক্র বাণিজ্যিকভাবে এই গ্যাস বিক্রি শুরু করে। পাইপের মাধ্যমে সড়ক, গাছ, বাসা-বাড়ির উপর দিয়ে সংযোগ নিয়ে যাচ্ছে। ব্যবহার হচ্ছে বাসাবাড়ি ও শিল্প কারখানায়।
সম্প্রতি ওই এলাকা ঘুরে দেখেছেন, তেল, গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির নেতারা।
পরে সাংবাদিকদের তারা জানান, গ্যাসের বিপদজনক এই ব্যবহারে যে কোন সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনার আৰশঙ্কা রয়েছে।
আর এনিয়ে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খাঁন অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ভূগর্ভস্থ গ্যাসের ঝুকিঁপূর্ণ ও অবৈধ ব্যবহার বন্ধে দ্রুত অভিযান চালানো হবে।
২০০৮ সালে তিতাস গ্যাস ফিল্ড বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুপযোগী বলে তাদের ৩নম্বর কূপটি বন্ধ করে দেয়।
এরপর থেকে থেকে সদর উপজেলার বাকাইল, শ্যামপুর ও আনন্দপুরসহ আশপাশ বেশ কয়েকটি এলাকায় মাটির নীচ থেকে গ্যাস উঠতে থাকে।
একাত্তর/এআর
