মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়ায় পাঁচ নম্বর ফেরিঘাটে ডুবে যাওয়া ফেরি উদ্ধার অভিযান আপাতত বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। চতুর্থ দিনের অভিযান শেষে আমানত শাহ নামের রো রো ফেরি থেকে সাধারণ পণ্য বোঝাই ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান এবং মোটরসাইকেলের তালিকা অনুযায়ী সকল যানবাহন উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (৩০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) অথরিটি'র যুগ্ম পরিচালক ফজলুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ফজলুর রহমান জানান, ঢাকায় অন্ত:মন্ত্রণালয়ের বৈঠক হবে রোববার দুপুরে। তারপর জানা যাবে, ফেরি উদ্ধার কাজ কি প্রক্রিয়ায় কখন শুরু হবে।
বিআইডব্লিউটিসি আরিচা কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে ফেরি আমানত শাহ ডুবির ঘটনায় মোট চারদিন অভিযান পরিচালনা করা হয়। উদ্ধার হওয়া ট্রাক, ভ্যান ও মটরসাইকেল মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে ট্রাকে থাকা অনেক টাকার মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
ফেরি আমানত শাহ ও এর আশেপাশের এলাকায় চিরুনি তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করবে ডুবুরি দলের সদস্যরা। নতুন করে কোনো কিছুর সন্ধান পাওয়া গেলে তা উদ্ধারে অভিযান চালানো হবে বলে জানান ফজলুর রহমান।
আরও পড়ুন: শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে অচলাবস্থা
এর আগে শনিবার (৩০ অক্টোবর) বেলা দুইটা পর্যন্ত একটি কাভার্ডভ্যান ও দুইটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। আর শুক্রবার তিনটি কাভারডভ্যান ও বৃহস্পতিবার উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা পাঁচটি কাভার্ডভ্যান এবং আগের দিন বুধবার চারটি ট্রাক ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে।
উল্লেখ্য, বুধবার (২৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পাটুরিয়া পাঁচ নম্বর ফেরিঘাটে পণ্য বোঝাই ১৪টি ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান এবং সাতটি মোটরসাইকেল নিয়ে রো-রো ফেরি আমানত শাহ এর তলা ফেটে নদীতে হেলে পড়ে ডুবে যায়।
একাত্তর/আরবিএস
